
কক্সবাজার পৌরসভা শহরের যাবতীয় ময়লা-আবর্জনা বাঁকখালী নদীর তীরে ফেলতে ফেলতে সেখানে প্রায় ৫০ ফুট উঁচু “ময়লার পাহাড়” তৈরি করেছে। দুই যুগের বেশি সময় ধরে চলা এ বর্জ্য ফেলার কারণে দুর্গন্ধ, মশা-মাছি, কাক-কুকুরের উপদ্রবে স্থানীয়দের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
শহরের বাসাবাড়ি ছাড়াও শত শত হোটেল-মোটেল ও অন্তত ১৫-২০টি হাসপাতালের মেডিকেল বর্জ্যও এ স্তূপে ফেলা হয়। সেখান থেকে দূষিত পানি প্রতিনিয়ত নদী ও সাগরে গিয়ে জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, বছরের পর বছর প্রতিবাদ করেও কোনো ফল পাননি। পরিবেশবাদীরা জানিয়েছেন, মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থী ও মুসল্লিদের নাক-মুখে কাপড় বেঁধে পড়াশোনা ও নামাজ পড়তে হচ্ছে।
পৌর কর্তৃপক্ষ জমি নির্ধারণ করলেও এখনও পর্যন্ত ময়লা ফেলার নির্ধারিত ডাম্পিং স্টেশন তৈরি করতে পারেনি। পরিবেশবাদী সংগঠনের দাবি, দ্রুত এই “ময়লার পাহাড়” সরিয়ে নেওয়া না হলে কক্সবাজারের পরিবেশ ও পর্যটন দুটোই মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।