
দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চলতি জুন মাসে আরও চার কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। এসব কার্গো থেকে প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাস পাওয়া যাবে।
এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১ কোটি ৬০ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাসবাহী পাঁচটি এলএনজি কার্গো ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে।
মিজানুর রহমান বলেন, জুন মাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকার মোট নয়টি এলএনজি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে সোমবার (১৫ জুন) পর্যন্ত পাঁচটি কার্গো দেশে এসেছে এবং বাকি চারটি কার্গো মাসের মধ্যে আমদানি করা হবে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জুনের জন্য কেনা নয়টি কার্গোর মধ্যে পাঁচটি স্পট মার্কেট ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি চারটি কার্গো স্পট মার্কেট থেকে আনা হবে।
এর আগে গত মে মাসে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ১১টি এলএনজি কার্গো আমদানি করে বাংলাদেশ। এসব কার্গোতে প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাস ছিল।
পেট্রোবাংলার পরিচালক বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকার দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেট—সব উৎস থেকেই নিয়মিত এলএনজি আমদানি করছে। সাধারণত প্রতিটি এলএনজি কার্গোতে গড়ে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাস থাকে।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, কাতারভিত্তিক QatarEnergy এবং ওমানভিত্তিক OQ Trading দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে থাকে।
এছাড়া স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায়ও ওকিউ ট্রেডিং বাংলাদেশকে এলএনজি সরবরাহ করছে। পাশাপাশি সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি সংগ্রহ করা হচ্ছে।