
দেশের স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়ে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য অর্থায়নের পরিমাণ ৪৫.৩৪ শতাংশ বাড়িয়েছে।
নতুন অর্থবছরে পিকেএসএফ মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা অর্থায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। মঙ্গলবার (২৩ জুন) পিকেএসএফ ভবন-১-এ অনুষ্ঠিত সাধারণ পর্ষদ সভায় এ বাজেট ও বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়।
সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়নে বরাদ্দকৃত প্রণোদনা তহবিল কার্যকরভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫ হাজার কোটি টাকা বিতরণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
নতুন কর্মপরিকল্পনায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রচলিত অর্থায়নের সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন, ঋণ ও ইকুইটি ফাইন্যান্সের সমন্বয়ে ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্সিং, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এবং জলবায়ু অভিযোজনভিত্তিক উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এছাড়া তরুণ, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা বিকাশ ও বাজার সংযোগ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক গবেষণা কার্যক্রমও জোরদার করা হবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।
পিকেএসএফ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব উদ্যোগ দেশে উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং টেকসই উদ্যোক্তা পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সভায় পিকেএসএফ চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান সভাপতিত্ব করেন। সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের, পর্ষদ সদস্য ড. সহিদ আকতার হোসাইন, নূরুন নাহার, ফারজানা চৌধুরী ও ড. মো. তৌফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।