
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দক্ষ চিকিৎসক থাকলেও পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও সামর্থ্যের ঘাটতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “ইনডোরে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার রোগী ভর্তি থাকেন। পাশাপাশি আউটডোরে আরও প্রায় ৭ হাজার রোগী সেবা নিতে আসেন। এর মধ্যে প্রায় দেড় হাজার রোগীকে বেডের বাইরে থাকতে হয়। এত বিপুল সংখ্যক রোগীর সেবা দেওয়ার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে কি না, বাস্তবে তা নেই।”
চিকিৎসা সেবার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “রোগীদের জন্য মৌলিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও আমরা সবসময় করতে পারি না। টেকনোলজিস্টের ঘাটতি এবং প্যাথলজি বিভাগে সংকট রয়েছে। আমাদের দক্ষ চিকিৎসক আছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সামর্থ্য নেই।”
তিনি জানান, হাসপাতালের অটোমেশন ও আধুনিকায়নের জন্য প্রায় ৩০ কোটি টাকার প্রয়োজন। সীমিত বাজেটের মধ্যেই ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
“আমরা কি উন্নত সেবা দিতে পারবো? বেসিক সেবাটাই ঠিকভাবে দিতে পারছি না। তারপরও রোগীরা অনেক সময় সন্তুষ্ট থাকে না। তবুও আমরা থেমে থাকবো না,” বলেন হাসপাতাল পরিচালক।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পাশাপাশি রোগ দ্রুত শনাক্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা গেলে জটিলতা কমে আসবে।
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ওজিএসবির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. তাবাসসুম পারভীনসহ অন্যান্য চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা।