
সপ্তাহের ব্যবধানে বরিশালের বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তবে মাছ ও মাংসের দাম রয়েছে আগের অবস্থানে।
সোমবার (৩০ জুন) বরিশালের বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি আড়ত ও বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
পাইকারি বাজারে এখন শসা প্রতি কেজি ২৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৩০-৪০ টাকা, বরবটি ৩০-৪০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা এবং টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। ঢেঁড়স, বেগুন, লাউ, কাঁচা কলা ও লেবুও বিক্রি হচ্ছে তুলনামূলকভাবে কম দামে।
সবজির পাইকারি আড়ত ‘দুলাল বাণিজ্যালয়’-এর মালিক মো. শুভ জানান, বর্তমানে সবজির সরবরাহ ভালো, তাই দাম নাগালের মধ্যে রয়েছে। তবে খুচরা বাজারে কিছুটা বাড়তি দাম রাখার অভিযোগও করেন তিনি।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা কেজি দরে, সোনালি মুরগি ২৭০-২৮০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারেও রুই, টেংরা, তেলাপিয়া, পাঙাস, চিংড়ি, পাবদা ও ভেটকি—সবকিছুই বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০-৮৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা কেজি দরে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী বলেন, প্রতিদিন বাজার তদারকি করা হচ্ছে এবং মূল্যবৃদ্ধি রোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীকে জরিমানাও করা হয়েছে।
সবমিলিয়ে বরিশালের বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে, তবে মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত থাকায় চাহিদা অনুযায়ী খরচে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে তাদের।