ঢাকাবুধবার , ১ জুলাই ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. লাইফস্টাইল

বাতিল হচ্ছে জাতীয় ৮ দিবস

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
১৬ অক্টোবর ২০২৪, ১২:৩১ বিকাল

Link Copied!

১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবসসহ আটটি দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তবে বাতিল হওয়া আটটি দিবসের মধ্যে পাঁচটিই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত। এর মধ্যে ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস। এছাড়া বাতিলের তালিকায় রয়েছে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস, ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদ সম্প্রতি এক বৈঠকে আটটি দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শিগগিরই এসব দিবস বাতিল করে পরিপত্র জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বাতিল হওয়া আটটি দিবসের মধ্যে পাঁচটিই শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যদের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত। এর মধ্যে ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস।

এছাড়া বাতিলের তালিকায় রয়েছে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস, ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।

জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেসকো ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে বৈশ্বিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে প্রদত্ত ভাষণের দিনটিকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর পরিপত্র জারি করে।

১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। ওই বছর ১৬ ডিসেম্বর বা বিজয় দিবস থেকে তা কার্যকর হয়। ২০২২ সালের ৪ নভেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়।

এদিকে, ডিজিটাল বাংলাদেশের ইশতেহারকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস পালন করে শেখ হাসিনার সরকার। পরের বছর দিবসটির নাম পরিবর্তন করে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস করা হয়। ২০২৩ সালে তা ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত হিসেবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। এরপর ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছিল, তখন ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়। কিন্তু বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় এসে ২০০২ সালে জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত বাতিল করে। তবে ছয় বছর পর ২০০৮ সালের ২৭ জুলাই হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পুনর্বহাল করা হয়।

১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী ও ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস পালন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর পর্যায়ক্রমে শুরু হয়।

তবে গত ৮ আগস্ট ক্ষমতা গ্রহণ করে ১৫ আগস্টের ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তী সরকার। এবার বাতিল করা হচ্ছে ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবসসহ আরও ৮টি দিবস।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

নিকোটিন ও তামাকজাত দ্রব্যের ওপর প্রস্তাবিত কর কমানোর প্রতিবাদে বিএনটিটিপি’র বিবৃতি

‘তীর’ ব্র্যান্ডের নামে নকল গমের ভূষি তৈরি, প্রতিষ্ঠানকে লাখ টাকা জরিমানা

পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে বাসচাপায় প্রাণ গেল সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের

সারা দেশে আরও পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস, সাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা

ভেনেজুয়েলার জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে প্রায় ৫৯ হাজার ভবন

নেপালে বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাব, নিধন করা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ হাঁস-মুরগি

উজানের ভারী বৃষ্টিতে উত্তরের নদ-নদীর পানি বাড়ছে, স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা

তৃণমূল পর্যন্ত শিশুদের আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ময়ূর নদের বুকে দৃষ্টিনন্দন দুই সেতু, বদলে যাবে খুলনার প্রবেশপথ

দেশের বাজারে স্বর্ণ-রুপার দামে বড় পতন, আজ কত টাকায় বিক্রি হচ্ছে ভরি

বর্জ্য সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগ, অতিরিক্ত ফিতে কোটি টাকার বাণিজ্য

মেক্সিকোতে ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প