পৌষের তীব্র শীতে কাঁপছে সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গা। জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ টানা চার দিন ধরে অব্যাহত থাকায় স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হাড়কাঁপানো শীত, ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন।
শনিবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সূর্যের আলো থাকলেও উত্তরের শীতল বাতাসে কনকনে ঠান্ডার মাত্রা আরও বেড়ে গেছে।
তীব্র শীতের কারণে জেলার খেটে খাওয়া মানুষদের মধ্যে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। শহরের বিভিন্ন মোড়ে এবং চায়ের দোকানের সামনে খড়কুটো জ্বালিয়ে উত্তাপ নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। শীত থেকে রক্ষা পেতে সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
শীতের প্রকোপের কারণে শীতজনিত রোগের সংখ্যা বেড়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু ও বয়োবৃদ্ধ রোগীর ভিড় লক্ষণীয়। বিশেষ করে রোটাভাইরাসজনিত ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত অনেককে হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০–৫০০ জন রোগী শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও ডায়রিয়া সহ নানা সমস্যার চিকিৎসা নিচ্ছেন।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এখনও অব্যাহত রয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। এর আগে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ।


