ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

গাছ কাটা বন্ধে রিট আবেদন

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
৫ মে ২০২৪, ৪:১৩ বিকাল

Link Copied!

তাপপ্রবাহের মধ্যেও দেশে গাছ কাটা অব্যাহত থাকায় প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছে একটি পরিবেশবাদী সংগঠন। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ- এইচআরপিবির পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।

আগামীকাল সোমবার ওই আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে মনজিল মোরসেদ জানিয়েছেন।

মনজিল মোরসেদ বলেন, সুস্থভাবে বাঁচার জন্য রাজধানীতে যে পরিমাণ গাছপালা থাকা দরকার তা দিন দিন কমছে এবং সম্প্রতিকালে তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে মানুষের জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে, যার কারণে সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার অধিকার লংঘিত হচ্ছে।

সামাজিক বনায়ন চুক্তিতে সারাদেশে লাগানো গাছগুলো কেটে ফেলার কারণে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে; যা বন্ধ না হলে বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে ও মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আবেদনে পাঁচটি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এগুলো হল :

১. গাছ কাটা নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে ৭ দিনের মধ্যে পরিবেশবাদী, পরিবেশবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপকের সমন্বয়ে সাত সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন, যারা প্রয়োজনে ঢাকা শহরে গাছ কাটার অনুমতি দেবেন।

২. গাছ কাটা বন্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৭ দিনের মধ্যে একটি সার্কুলার জারি করে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পরিবেশ অফিসার, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সমাজকর্মী, পরিবেশবাদী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি/সেক্রেটারি এবং সিভিল সার্জনের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করবেন, যাদের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা যাবে না।

৩. গাছ কাটা বন্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৭ দিনের মধ্যে একটি সার্কুলার জারি করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে; কলেজের অধ্যক্ষ, সমাজকর্মী, পরিবেশবাদী, সমাজকল্যাণ অফিসার, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব ল্যান্ড এবং এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর সমন্বয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রদান করবে, যাদের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটা যাবে না।

৪. কমিটি গঠন হওয়ার আগে পর্যন্ত সকল বিবাদী নিজ নিজ এলাকায় যাতে কোনো গাছ কাটা না হয় সে ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

৫. গাছ কাটা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, ঢাকা শহরসহ অন্যান্য জেলা এবং উপজেলা শহরে গাছ কাটা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং সামাজিক বনায়ন বিধিমালা ২০০৪ এর বিধানে গাছ লাগানোর চুক্তিভুক্ত পক্ষকে অর্থ প্রদানের বিধান সংযুক্ত করার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না– সে মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে।

এইচআরপিবির পক্ষে রিট আবেদনকারীরা হলেন অ্যাডভোকেট মো. ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মো. এখলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া এবং অ্যাডভোকেট রিপন বাড়ৈ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, পরিবেশ বিভাগ মহাপরিচালক, ঢাকা উত্তর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র, ঢাকা উত্তরা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, প্রধান বন সংরক্ষক, সড়ক মহাসড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ও বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শককে রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় জাপান

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা

ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ইতালি প্রবাসীর মৃত্যু

নিত্যপণ্যের বাজারে অভিযান, এক দিনেই ৭০ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

চাঁদপুরের বাবুরহাটে সড়ক ও ফুটপাত দখল, ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ

শব্দদূষণের নতুন ৪ উৎস শনাক্ত করল পরিবেশ অধিদপ্তর

Renewable Energy Fest 2026 Ends with Call for a Just, Inclusive and Green Energy Transition

ন্যায্য ও সবুজ জ্বালানি রূপান্তরের আহ্বানে শেষ হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসব

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা, সতর্ক করল বিশ্বব্যাংক

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৪

Bangladesh Completes First Government-Led Inter-Ministerial Climate Negotiator Training Ahead of COP31

কপ৩১ সামনে রেখে প্রথমবার সরকারি উদ্যোগে জলবায়ু নেগোশিয়েটরদের প্রশিক্ষণ