ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

শীতের মৌসুমে মাদারীপুরে স্বাস্থ্যসেবা চ্যালেঞ্জের মুখে

নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬ ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ । ১০০ জন

মাদারীপুরে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে জ্বর, সর্দি–কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন অসংখ্য রোগী, যাদের অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। শয্যার ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম পড়ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে সরজমিনে দেখা গেছে, ২৫০ জেলা শয্যা হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ড, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর চাপ বেড়েছে। শীতজনিত রোগের পাশাপাশি কারো কারো চর্ম রোগও দেখা দিয়েছে। বর্হিবিভাগেও রোগীর চাপ বাড়ায় স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য সেবা প্রদানে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতালের তথ্যানুযায়ী, গড়ে প্রতিদিন ২৫০ শয্যা হাসপাতালে অন্তর্বিভাগ ও বর্হিবিভাগ মিলিয়ে ১,৫০০ থেকে ২,০০০ জন মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছেন। ১৬৪ জন জনবলের বিপরীতে কাজ করছেন চিকিৎসক–নার্সসহ ১৩৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। দীর্ঘদিন ধরে ২৯টি পদ শূন্য থাকায় স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাত দেখা দিচ্ছে।

মাদারীপুর পৌরসভা এলাকার কহিনুর বেগম জানান, “আমার নানির নিউমোনিয়া হয়েছিল। প্রথমে ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। চারদিনের পর আজকে একটু সুস্থ।”
সদর উপজেলার মোস্তফাপুর থেকে আসা সীমা আক্তার বলেন, “ঘরের বাইরে কাজ করার কারণে আমার ঠান্ডা লেগেছে। আমার ছেলে ও আক্রান্ত হয়। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ না হওয়ায় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসছি।”

২৫০ জেলা শয্যা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স কনিকা শিকদার বলেন, “শীতের মৌসুমে ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে বাইরে বের হওয়ার সময় গরম পোশাক পড়া জরুরি। শিশু, বৃদ্ধ বা যেকোনো ব্যক্তির ঠান্ডাজনিত উপসর্গ দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সরকারি হাসপাতালে এসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।”