ঢাকারবিবার , ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

লোনাপানির আঘাতে জমি হারাচ্ছে কৃষক

প্রতিবেদক
হাসান মাহমুদ
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ সকাল

Link Copied!

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত ও সমুদ্রের আগ্রাসী লোনা পানির আস্তরণে ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে উঠছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকার আবাদি মাটি। লোনা পানির ধারাবাহিক অনুপ্রবেশের ধাক্কায় দেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত দক্ষিণাঞ্চল এখন ভয়াবহ অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক এক নতুন গবেষণায় ওই এলাকার কৃষকদের আশঙ্কাজনক এক বাস্তব চিত্র উঠে এসেছে।

গবেষণা বলছে, লবণাক্ততা ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে ধানের ফলন মাত্র ২০ শতাংশ কমে গেলেই এই অঞ্চলের প্রায় ৯০ শতাংশ কৃষক চিরতরে ধান আবাদ বন্ধ করে দেওয়ার চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন। ধান চাষ ছেড়ে তারা আবাদি জমিকে লাভজনক চিংড়ি ঘের, সমন্বিত কাঁকড়া চাষ কিংবা অন্য অ-কৃষি ও বিকল্প জীবিকায় রূপান্তর করবেন। কৃষকদের এই বাধ্যবাধকতামূলক রূপান্তর কেবল উপকূলীয় অর্থনীতিকে তছনছ করবে না, বরং আগামী দিনে দেশের জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তাকে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেবে।

গবেষণায় দেখা গেছে, চরম অনিশ্চয়তা, ঋণের বোঝা এবং বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও কেবল নিজের পরিবারের খাদ্যের জোগান টিকিয়ে রাখতে উপকূলীয় অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ধানচাষিরা প্রতিদিন লড়ছেন। তবে লোনা ভাব তাদের সহনশীলতার শেষ সীমায় এনে পৌঁছে দিয়েছে।

# লোনা পানিতে উপকূলীয় আবাদি জমি ক্রমেই বিষাক্ত হচ্ছে
# ফলন ২০% কমলেই ধান চাষ ছাড়বেন অন্তত ৮৯% কৃষক
# পারিবারের খাদ্য নিরাপত্তায় বাধ্য হয়ে ধান চাষ করছেন কৃষক
# উপকূলের ৮৫.৫% কৃষক ঝুঁকি এড়িয়ে চলতে পছন্দ করেন
# লোনা-সহনশীল ধানের বীজ পৌঁছাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা
# ধানচাষ বন্ধ হলে বাড়বে চালের আন্তর্জাতিক আমদানিনির্ভরতা
# কার্যকর নীতি না নিলে চরম খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হবে দেশ

গবেষণার সারসংক্ষেপ ও পটভূমি :
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষণা প্রকাশনা সংস্থা ‘স্প্রিঞ্জার নেচার’-এর পিয়ার-রিভিউড সাময়িকী ডিসকাভার ফুড-এ উপকূলীয় কৃষির এই চিত্র তুলে ধরে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রটির মূল শিরোনাম ছিল—‘বাংলাদেশি কোস্টাল রাইস ফার্মার্স নেভিগেট এনভারমেন্টাল আনসার্টেনিটি থ্রু অ্যাডাপ্টিভ ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজিস’।

অস্ট্রেলিয়ার সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর রিজিওনাল ইকোনমিক্স অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন’-এর গবেষক দল এটি পরিচালনা করেন। গবেষণার প্রধান লেখক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল রিসার্চ ফেলো ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জবা রানী সরকার। সহ-লেখক হিসেবে যুক্ত ছিলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক জন রোলফ এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. জয়নাথ আনন্দ।

খাদ্য নিরাপত্তা বনাম জীবনধারণের নির্মম লড়াই :
গবেষকদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তীব্র লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও কৃষক পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা ও মৌলিক জীবনধারণের তাগিদই মূলত ধান চাষ অব্যাহত রাখার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। উপকূলীয় কৃষকরা কেবল বাণিজ্যিক লাভের হিসেব কষে জমিতে বীজ বোনেন না; বরং বাজার থেকে চড়া দামে চাল কিনে খাওয়ার সাধ্য না থাকায় তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের জমিতে বছরের অন্নটুকু ফলানোর চেষ্টা করেন।

তবে গবেষণার মডেলিং বলছে, প্রতিকূলতার কারণে যদি ফসল উৎপাদন ১৫ থেকে ২০ শতাংশের বেশি স্থায়ীভাবে কমে যায়, তবে সেই সহনশীলতার বাঁধ ভেঙে যাবে। তখন ক্ষতি সামলাতে না পেরে অধিকাংশ কৃষকই বাধ্য হয়ে বিকল্প জীবিকা হিসেবে ধান চাষ পরিত্যাগ করবেন। তারা জমি রূপান্তর করে বাণিজ্যিক চিংড়ি ও কাঁকড়া চাষ বা উদ্যানজাত সবজি চাষের দিকে ঝুঁকে পড়বেন, যা ধানের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন এক ধাক্কায় বহু নিচে নামিয়ে আনবে।

গবেষণার আওতা ও বৈজ্ঞানিক মডেল :
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বেশি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ ও লবণাক্ততায় আক্রান্ত চারটি জেলাকে এই অনুসন্ধানের ক্ষেত্র হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো—বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং পটুয়াখালী। গবেষক দল এই চার জেলার লোনা পানিতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হওয়া মোট ২০০টি কৃষক পরিবারকে নমুনা হিসেবে গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্য সংগ্রহের জন্য মাঠপর্যায়ে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন, সাক্ষাৎকার, প্রশ্নমালা পর্যবেক্ষণ এবং ‘কনটিনজেন্ট বিহেভিয়ার সার্ভে’ পরীক্ষা চালানো হয়। পরবর্তীতে এসব তথ্য-উপাত্তকে ‘বাইনারি লজিস্টিক রিগ্রেশন’ নামক অর্থনৈতিক মডেলে বিশ্লেষণ করা হয়, যা ভবিষ্যতে জমিতে লোনা পানির পরিমাণ বৃদ্ধি, ধানের বাজারমূল্য ও ফলন হ্রাসের প্রক্ষেপণ কীভাবে উপকূলীয় কৃষকের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে বদলে দেয় তা নির্দেশ করে।

উপকূলীয় কৃষকের মনস্তত্ত্ব ও আচরণগত সমীকরণ :
বিশ্লেষণে প্রাপ্ত তথ্যে উপকূলীয় পরিবেশ ও কৃষকদের আচরণগত বেশ কিছু জটিল চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৮৫.৫ শতাংশ কৃষকই ‘ঝুঁকি এড়িয়ে চলতে’ পছন্দ করেন। বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হওয়ায় তারা মানসিক ও আর্থিকভাবে এতটাই ভঙ্গুর যে, নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বা ভারী আর্থিক ঝুঁকি নিতে চরম আতঙ্কবোধ করেন।

দেখা যায়, ধানের জাত নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এই মনস্তত্ত্ব কাজ করে। সামান্য ঝুঁকি নিতে সক্ষম কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী জাতের ধান চাষে মনোযোগী হন। অন্যদিকে, ঝুঁকি একদমই পছন্দ না করা এমন কৃষকরা নিশ্চিত ফলন পেতে সরকার বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল ও লবণাক্ততা-সহনশীল আধুনিক ধানের জাত ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দেন। তবে বাণিজ্যিক আয়ের অংক কষার চেয়ে নিজের পরিবারের মুখে দুবেলা ভাত তুলে দেওয়াটাই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার।

অর্থনৈতিক সীমারেখা ও ফলন হ্রাসের প্রক্ষেপণ :
গবেষণায় দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলীয় মাটিতে ধানের সার্বিক ফলন যদি ২০ শতাংশের বেশি কমে যায়, তবে ৮৮.৭ শতাংশ ঝুঁকি-অনিচ্ছুক কৃষক এবং প্রায় ৭৫.২ শতাংশ ঝুঁকি-গ্রহণকারী কৃষক সম্পূর্ণরূপে ধান চাষ ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করবেন। এতে প্রমাণিত হয় যে, উপকূলের কৃষকদের সহনশীলতারও একটি নির্দিষ্ট গণ্ডি রয়েছে। ফলন ২০ শতাংশের নিচে নামলে মাটির পেছনে বাড়তি সার ও পরিশ্রম ঢালাকে কৃষকরা অর্থহীন মনে করেন। ফলে তারা কৃষিজমিকে লোনা পানির ঘেরে পরিণত করবেন, যা একবার হয়ে গেলে পুনরায় ধান চাষে ফিরে আসা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

প্রাতিষ্ঠানিক সেবার ঘাটতি ও প্রযুক্তির সম্ভাবনা :
গবেষণায় উঠে এসেছে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধার চরম ঘাটতির কথা। জরিপে অংশ নেওয়া সিংহভাগ কৃষক জানান, সরকারি কৃষি সম্প্রসারণ সেবাকেন্দ্র থেকে সংকটকালে লোনা-সহনশীল উন্নত মানসম্পন্ন বীজ ও প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ পেতে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

তবে এই সংকটের মধ্যেও আশার আলো দেখিয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি। গবেষণায় তুলে ধরা হয়েছে যে, ফসল কাটার পর শস্য গুদামজাতকরণে ‘ইন্টারনেট অব থিংস’ ও আধুনিক সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করা গেলে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা সঠিক মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে ফসল কাটার পরবর্তী সময়ে গুদামে যে বিপুল পরিমাণ ধান নষ্ট হয়, সেই ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব।

প্রান্তিক কৃষকের আকুতি :
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রবীণ কৃষক আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমাদের জমিতে আর আগের মতো ধান হয় না। জলোচ্ছ্বাস হয়ে জমিতে লোনা পানি আটকে থাকলে পরের তিন-চার বছর আর কোনো বীজের অঙ্কুর গজায় না। মাটি সাদা হয়ে নোনা ফুটে থাকে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘পরিবারকে বাঁচাতে আমরা প্রতি বছর ঋণের টাকা মাথায় নিয়ে আবার লোনা জমিতে ধান বুনি। কিন্তু দিনশেষে সারের মূল টাকাই ওঠে না। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ঘের করা ছাড়া বা ভিটা ছেড়ে শহরে দিনমজুরি করতে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।’

গবেষকদের বক্তব্য :
গবেষণার প্রধান লেখক ড. জবা রানী সরকার মাঠের বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে বলেন, উপকূলীয় কৃষক পরিবারগুলো শুধুমাত্র অর্থনৈতিক মুনাফার অংক কষে ধান চাষ করে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাদের অস্তিত্ব, পারিবারিক খাদ্য নিরাপত্তা ও গভীর সামাজিক-সাংস্কৃতিক বন্ধন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, কেবল ধানের সরকারি ক্রয়মূল্য বাড়িয়ে উপকূলের কৃষকদের জমিতে ধরে রাখা যাবে না। জলবায়ুর ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে লোনা-সহনশীল আধুনিক প্রজাতির বীজ তাদের হাতে সময়মতো পৌঁছানো, আইওটি প্রযুক্তির প্রসার ঘটানো এবং কৃষকের মনস্তত্ত্ব বুঝে একটি নতুন ‘ঝুঁকিমুখী কৃষি নীতি’ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।

সরকারি নীতিমালার বাস্তবতা :
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিআরআরআই) ইতিমধ্যে ‘ব্রি ধান-৬৭’, ‘৮৭’, ‘৯৭’ এবং ‘৯৯’-এর মতো কয়েকটি লোনা-সহনশীল জাত উদ্ভাবন করলেও মাঠপর্যায়ে বিতরণে সমন্বয়হীনতা রয়ে গেছে।

কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, বিআরআরআই বা পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বীজ তৈরি করলেও মাঠপর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকের হাতে পৌঁছাতে মৌসুম পার হয়ে যায়। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে যদি জরুরি ভিত্তিতে কম মূল্যে বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়, তবে এই গবেষণার আশঙ্কাই বাস্তবে রূপ নেবে।

জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তায় আঘাত :
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, জাতীয় খাদ্য সংস্থানের একটি বিশাল যোগান আসে এই দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় জেলাগুলো থেকে। আমন ও বোরো মৌসুমে এখানকার ধান দেশের খাদ্য চাহিদায় বড় ভূমিকা রাখে।

উপকূলীয় অঞ্চলে যদি লবণাক্ততার কারণে ধানের আবাদ বন্ধ হয়ে যায় এবং ৮৯ শতাংশ কৃষক জমিকে মাছের ঘেরে রূপান্তর করে ফেলেন, তবে দেশে চালের মোট উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাবে। এর ফলে চালের জন্য আমদানিনির্ভরতা বাড়বে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে এবং বাজারে চালের দাম বাড়িয়ে দেবে।

সমাধানের রূপরেখা :
গবেষণাপত্রে উপকূলীয় কৃষি ব্যবস্থা পুনর্গঠন ও জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে নীতি-সুপারিশ করা হয়েছে। যেমন- একক ধান চাষের বদলে ‘ধান ও সমন্বিত মাছ চাষ’ ব্যবস্থার বিস্তার ঘটাতে হবে। লোনা মাটি ও লোনা পানিতে টিকে থাকার উপযোগী আধুনিক জাতের বীজ ল্যাব থেকে সরাসরি প্রান্তিক কৃষকদের হাতে সময়মতো পৌঁছাতে হবে। জলবায়ু বিপর্যয়ে ফসলহানির ঝুঁকি কমাতে সরকারি অর্থায়নে ‘বিশেষ জলবায়ু ঝুঁকি কৃষি বীমা’ চালু করতে হবে। গুদামজাতকরণে আইওটি ও সেন্সর প্রযুক্তির স্থানীয় সংস্করণ তৈরি করা এবং সহজ শর্তে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করা জরুরি। এবং স্থানীয় পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের পৃথক ঝুঁকির ক্ষমতা মূল্যায়ন করে আলাদা অভিযোজন পরামর্শ নিশ্চিত করতে হবে।

আন্তর্জাতিক এই গবেষণা দেখিয়েছে যে, উপকূলীয় লোনা অঞ্চলের কৃষকদের যদি অতি দ্রুত সরকারি ও বৈশ্বিক সহায়তার আওতায় আনা না যায়, তবে তারা একে একে কৃষিকাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন। লোনা পানির কাছে কৃষকের হার মেনে নেওয়া মানে ১৭ কোটি মানুষের খাদ্য ব্যবস্থার পরাজয়। এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে অদূর ভবিষ্যতে দেশকে চরম খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হবে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

From Pixels to Perspectives: OPPO & BUP Join Hands to Spotlight Young Visual Storytellers

তরুণদের সৃজনশীলতার নতুন মঞ্চ ‘স্ফূরণ ৬.০’, থাকছে নানা সুযোগ

এসডিজি বাস্তবায়নে গতি বাড়িয়ে দারিদ্র্য ও বৈষম্য অবসানে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার দাবি

Lifebuoy Friendship Hospital has provided healthcare services to over 800,000 patients in remote riverine island areas

দুর্গম চরাঞ্চলে ৮ লাখের বেশি রোগীকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল

চট্টগ্রামের বাজারে নতুন ফল ‘সাম্মাম’, কেজি ১০০-১৫০ টাকা

টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থা গড়ার আহ্বান

পটুয়াখালীতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, খাদে পড়ে নিহত ৪

ভোরেই ঢাকায় তুমুল বৃষ্টি, সঙ্গে বজ্রপাত

ভোরের মুষলধারে বৃষ্টিতে ডিএসসিসির কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা

সারাক্ষণ ক্লান্তিবোধ করেন? জেনে নিন অবসাদের ১২টি বড় কারণ

লোনাপানির আঘাতে জমি হারাচ্ছে কৃষক