
আবহাওয়ার অনুকূলে সুনামগঞ্জ ও ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় হাওরপাড়ের কৃষকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। ঝড়বৃষ্টি ও বজ্রপাতের আশঙ্কা কমে যাওয়ায় কৃষকরা এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে দ্রুত ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাওরের অবশিষ্ট ধান দ্রুত ঘরে তুলতে দিন-রাত পরিশ্রম করছেন তারা। তবে বৃষ্টি না থাকায় সাময়িক স্বস্তি মিললেও দীর্ঘমেয়াদি সংকট এখনো কাটেনি বলে জানিয়েছেন অনেকেই। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে তীব্র শ্রমিক সংকট তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে সুরমা নদী-এর পানি ১ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১ দশমিক ৫২ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি।
চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।
তবে আগাম বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ইতোমধ্যে জেলায় ২০ হাজার হেক্টরের বেশি জমির ধান তলিয়ে গেছে, যা কৃষকদের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।