ঢাকারবিবার , ২৬ জুলাই ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য
  3. নিরাপদ সড়ক

তামাকমুক্ত টার্মিনাল গড়তে কঠোর আইন বাস্তবায়নের দাবি শ্রমিক ইউনিয়নের

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:২৮ সকাল

Link Copied!

আমরা ঢাকা জিলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি: নং-ঢা ৯৭৪) নেতৃবৃন্দ। আমরা মনে করি এবং বিশ্বাসও করি যে, সামাজিক আন্দোলন ছাড়া তামাক সেবন বন্ধ করা সম্ভব নয়। আমাদের দেশে দলমত নির্বিশেষে এই ধরণের ব্যধি (তামাক সেবন) দূরীকরণে একটি সমন্বিত সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন। দেশের বিভিন্ন এনজিও এ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডেভলপমেন্ট এ্যাকটিভিটিস অফ সোসাইটি-ডাস্ দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের শ্রমিক ইউনিয়ন এর সাথে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বাস টার্মিনালগুলোকে তামাকমুক্ত করণে কাজ করে যাচ্ছে। কাজের সুবাদে পাবলিকদের তামাক ব্যবহারের কুফল সম্পর্কে অনেকগুলি সচেতনতামূলক কর্মসূচি ইতোমধ্যে করেছি বা করে যাচ্ছি। এছাড়া টার্মিনালের অভ্যন্তরে যাতে কেউ তামাকজাত পণ্য বিক্রয় বা ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য নিয়মিতভাবে মাইকিং সহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রমিক ও মালিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের সমন্বয়ে ভিজিলেন্স টীম গঠন করেছি। এই টীম টার্মিনালের অভ্যন্তরে ধূমপান প্রতিরোধে কাজ করছে।

এতদসত্বেও আপনারা জানেন যে, বাস শ্রমিকদের মধ্যে তামাক গ্রহণের প্রবণতা বেশী বিশেষ করে ধূমপান যার প্রভাব অধূমপায়ীদের উপর পড়ে। ফলে সাধারণ যাত্রী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকে। আমরা লক্ষ করেছি যে, টার্মিনালের অভ্যন্তরের দোকানগুলোতে সরকারি আইন উপেক্ষা করে বেআইনিভাবে তামাকজাত পণ্য বিক্রয় করছে যা বাসের অপেক্ষামান যাত্রী ও শ্রমিকদের ধূমপান করার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করে থাকে। এছাড়া ভ্রাম্যমান দোকানগুলো থেকে এক শলাকা, দুই শলাকা অর্থাৎ খুচরা শলাকা সিগারেট পাওয়া সহজ হওয়ায় বাসের অভ্যন্তরেও অনেক সময় ধূমপান করতে দেখা যায়। এ বিষয়ে আমরা স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের অবহিত করলেও তারা তেমন কোন সাঁড়া দেয়নি বললেই চলে। টার্মিনালের অভ্যান্তরীণ পরিবেশকে সুস্থ্য, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর করতে টার্মিনালের অভ্যন্তরে তামাকজাত পণ্য অবিলম্বে বিক্রয় করতে হবে।

উদাহরন হিসেবে দেখা যায় যে, গাবতলী বাস টার্মিনালে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিভিন্ন কারণে তামাক বিষয়ক আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারে না। সরকারের যে বিদ্যমান আইন আছে তার সঠিক প্রয়োগ, মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদারকরণ এবং উপযুক্ত অপরাধীকে শান্তি প্রদান করা ছাড়া তামাকের ব্যবহার হ্রাস করা সম্ভব না। তাই আমাদের প্রত্যাশা, বর্তমান আইনকে এমন একটি শক্তিশালী আইন হিসেবে তৈরী করা হউক যা সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারের ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকের ব্যবহার নির্মূল করা যায়। এছাড়া টার্মিনালগুলি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও ধুমপানমুক্ত করার ক্ষেত্রে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন এর জনপ্রতিনিধি বা কর্মকর্তাবৃন্দের সক্রিয় অংশগ্রহন বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

তাই, সরকারের আইনের সকল ফাঁক-ফোঁকড় বন্ধ করে অপরাধীকে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্তমানে প্রচলিত আইনকে শক্তিশালী আইন হিসেবে রূপায়িত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। আমরা মনেকরি, একটি শক্তিশালী তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সঠিক বাস্তবায়ন-ই পারে সর্বাগ্রে তামাকের ব্যবহার কমাতে।

মোঃ আব্বাছ উদ্দিন, সভাপতি ঢাকা জিলা যানবাহন শ্রমিক ইউনিয়ন

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে জরুরি সতর্কতা

বর্ষায় যেসব সবজি কেনার আগে দুবার ভাববেন

ছাগলের গুঁতাগুঁতিতে কি মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়? চমকপ্রদ তথ্য দিলেন বিজ্ঞানীরা

আধুনিক চিকিৎসা ও পুষ্টিবিজ্ঞানে ‘খাদ্যই ওষুধ’ ধারণার নতুন দিগন্ত

ফ্রান্স-স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ঘরছাড়া ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, টানা পাঁচদিন বৃষ্টি হতে পারে দেশজুড়ে

বিল পরিশোধের পরই দেবে গেল ২৫ লাখ টাকার সেতুর সংযোগ সড়ক

মানুষের মতো রোবট করল সফল অস্ত্রোপচার

চুয়াডাঙ্গায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস উল্টে আহত ২০

জলবায়ু ঝুঁকিতে বাস্তুচ্যুতদের জন্য নতুন প্রকল্প, বাংলাদেশ-আইওএম চুক্তি

ঝালকাঠিতে যৌথ অভিযানে আড়াই লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ

ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচির ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর