আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে পুরোদমে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। জেলার পাঁচটি উপজেলায় খামার ও পারিবারিক পর্যায়ে পশু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারি ও পশুপালকরা।
সরেজমিনে বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, জেলার প্রায় সব হাটেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকাররা পশু কিনতে আসছেন। পাশাপাশি স্থানীয় ক্রেতারাও তাদের পছন্দ অনুযায়ী কোরবানির পশু কিনছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর জানিয়েছে, এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাঁচটি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ২ লাখ ২৬ হাজার ৫০টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২০২টি। সে হিসেবে জেলায় ৫৮ হাজার ৮৪৮টি পশু উদ্বৃত্ত থাকছে।
প্রস্তুতকৃত পশুর মধ্যে রয়েছে ৪৩ হাজার ৮২৪টি ষাঁড়, ৩৬ হাজার ৩৩১টি বলদ, ৩৬ হাজার ৮৫৫টি গাভী, ৫০৬টি মহিষ, ৮৪ হাজার ৮০১টি ছাগল, ১২ হাজার ৯২২টি ভেড়া এবং ৫টি অন্যান্য পশু।
ডা. মোসা. শারমিন আক্তার জানান, এ বছর জেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি। তিনি বলেন, “জেলার চাহিদা পূরণ করেও প্রায় ৫৮ হাজার ৮৪৮টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”


