
আজ বিশ্ব মা দিবস। পৃথিবীর সবচেয়ে আপন মানুষ ‘মা’-কে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর বিশেষ এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে।
মা শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা ও গুরুত্ব অপরিসীম। জন্মের পর মানুষের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি হলো ‘মা’। সন্তানের জীবনে প্রথম শিক্ষক, নিরাপদ আশ্রয় ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতীক হচ্ছেন মা।
বিশ্ব মা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক নানা আয়োজন করা হয়েছে। কেউ মাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, কেউ উপহার দিচ্ছেন। আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ ও ভালোবাসার বার্তা প্রকাশ করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সন্তানের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, মূল্যবোধ ও জীবনের প্রতিটি ধাপে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও মা দিবস সেই অনুভূতিকে নতুনভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।
বিশ্ব মা দিবসের ইতিহাসও বেশ পুরোনো। ১৯০৮ সালে Anna Jarvis প্রথমবারের মতো নিজের মায়ের স্মৃতির উদ্দেশ্যে মা দিবস উদযাপন করেন। পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট Woodrow Wilson মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি পালিত হয়ে আসছে।
বর্তমানে মা দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধ, সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের প্রতীক হয়ে উঠেছে। তবে শুধু একটি দিন নয়, বছরের প্রতিটি দিনেই মায়ের প্রতি যত্ন ও ভালোবাসা প্রকাশ করা উচিত বলে মনে করেন অনেকেই।
বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মায়ের সুখ, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।