ঢাকারবিবার , ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

১৮০ দিনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি সন্তোষজনক: কৃষিমন্ত্রী

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ অগাস্ট ২০২৬, ২:৩১ বিকাল

Link Copied!

সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে দেশ পর্যায়ক্রমে কৃষিপণ্য আমদানি নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই; বরং চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত সার মজুত রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার সারের মজুতও বেশি। সারের কৃত্রিম সংকটের কথা বলে যারা বিভ্রান্তি তৈরি করছে, তা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ।

কৃষি খাতের উন্নয়ন ও সরকারের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রার অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি জানান, প্রতি মাসে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ কৃষকের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে পাইলট পর্যায়ে প্রায় ১৪ লাখ কৃষকের ডেটাবেজ প্রস্তুত করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, গত ছয় মাসে ২৫ লাখ গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি চারা রোপণ করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৭৮ দশমিক ৯ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪৭৫ দশমিক ৬১ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হয়েছে।

পেঁয়াজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি। আগে সংরক্ষণের অভাবে পেঁয়াজ পচে নষ্ট হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে ছয় মাস পর্যন্ত পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। আগামীতে ৩ লাখ টন পেঁয়াজ সংরক্ষণের অবকাঠামোগত সুবিধা তৈরি করা হবে।

কৃষিভিত্তিক দেশ হিসেবে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে আমিন উর রশিদ বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে কোনো কৃষিপণ্য যেন বাইরে থেকে আমদানি করতে না হয়। এ লক্ষ্যে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সংরক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পাটবীজ, পেঁয়াজবীজ ও আদার ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভরতা থেকে পর্যায়ক্রমে বের হয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আগামী বছর থেকে ‘ব্রি ১১৮’ নামের নতুন একটি ধানের জাতের চাষ শুরু হবে। জাতটি হাওর অঞ্চলে প্রচলিত সময়ের ১০ থেকে ১৫ দিন আগেই রোপণ করা সম্ভব হবে। ফলে আগাম বন্যার হাত থেকে ফসল রক্ষায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, সেচ খরচ কৃষকদের জন্য একটি বড় চিন্তার বিষয়। সেচের জন্য ব্যবহৃত দেশের সব পাম্প সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ইতোমধ্যে ৬০ থেকে ৬২ হাজার পাম্প সৌরবিদ্যুতে পরিচালনার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খান উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

বিমানবন্দরের আদলে মেট্রোরেল স্টেশনে বসছে নিরাপত্তা সরঞ্জাম

খাদ্য নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চায় বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কার মধ্যে দেশের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে

হাতিয়ায় নদীভাঙন রোধে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি

কাজীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধের মৃত্যু

সাভারে বায়ুদূষণ রোধে নাগরিকদের সম্পৃক্ততার আহ্বান

আজ বৃষ্টি হবে যেসব এলাকায়, বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি, শীতের আগমনী বার্তা

টানা চতুর্থবার কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

৮,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও স্মার্ট ফিচারে ভিভো ওয়াই৩২

vivo Y32: An All-in-One Smart Performer