ঢাকামঙ্গলবার , ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ ১:১৬ অপরাহ্ণ । ৫৩ জন

আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ জনগণ যেন সহজে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাসব্যাপী সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ড্রেসড ব্রয়লার বিক্রি করা হবে।

প্রসঙ্গত, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ড্রেসড ব্রয়লার, দুধ, ডিম ও গরুর মাংস সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হবে।

এ কর্মসূচির আওতায় নির্ধারিত দাম হবে-

ড্রেসড ব্রয়লারের মাংস: প্রতি কেজি ২৪৫ টাকা

পাস্তুরিত দুধ: প্রতি লিটার ৮০ টাকা

ডিম: প্রতি পিস ৮ টাকা

গরুর মাংস: প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে অন্যান্য জেলা শহরেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ মূল্যে প্রাণিজ পণ্য বিপণনের উদ্যোগ নেবেন।

সরকারি উদ্যোগে প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় মোট ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই স্থাপনার মধ্যে রয়েছে- সচিবালয়ের পাশে (আব্দুল গনি রোড), খামারবাড়ি (ফার্মগেট), ষাটফুট রোড (মিরপুর), আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার (পুরান ঢাকা), উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), কালশী (মিরপুর), মানিক নগর গলির মুখ (যাত্রাবাড়ী), শাহজাদপুর (বাড্ডা), কড়াইল বস্তি (বনানী), কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও (রেল ক্রসিং দক্ষিণ), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা (কাঁচা বাজার), মোহাম্মদপুর (বাবর রোড ও বসিলা), কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার)।

মন্ত্রণালয় জানায়, স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যায়ক্রমে বিক্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ জনগণ সহজলভ্য মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজ পণ্য পেতে পারবে এবং রমজান মাসে বাজারের অপ্রয়োজনীয় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।