ঢাকারবিবার , ১ নভেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

মাতারবাড়ীতে ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১ নভেম্বর ২০২৬, ১:৩৫ বিকাল

Link Copied!

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অব্যবহৃত ১৭১ একর জমিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রস্তাব (ডিপিপি) বিবেচনার জন্য ইতোমধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নজমুল হক।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৪২ কোটি ৮৭ লাখ ৬ হাজার টাকা, প্রকল্প ঋণ ৫৩২ কোটি ৩৯ লাখ ১২ হাজার টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২৯ কোটি ৭১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি সুবিধা কাঠামোর আওতায় প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করবে। এ কাঠামোর আওতায় ৩৫ কোটি ইউরো ঋণ এবং ৪ কোটি ৫০ লাখ ইউরো অনুদান সহায়তা রয়েছে।

প্রকল্পের জন্য মাতারবাড়ী ২×৬০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সীমানার মধ্যে ছাই সংরক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা অব্যবহৃত জমির একটি অংশ ব্যবহার করা হবে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। প্রকল্পের আওতায় সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম স্থাপনের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সঞ্চালন লাইন ও উপকেন্দ্রের অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্পন্ন সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রাথমিকভাবে ৫০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হলেও পরে এর সক্ষমতা বাড়িয়ে ৭০ মেগাওয়াট করার সুপারিশ করা হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্পটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়তা করবে। তবে প্রকল্প চূড়ান্ত করার আগে সরঞ্জামের দাম, অর্থায়ন কাঠামো এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নের পরিমাণসহ কয়েকটি বিষয়ে কমিশন পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম প্রধান মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রকল্পের খসড়া প্রস্তাব নিয়ে শিগগিরই প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পরিকল্পনা কমিশনের মূল্যায়ন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

সুন্দরবনে মাছের মজুদ বাড়লেও হুমকিতে ৬ প্রজাতি

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা

ডিজিটাল সেবার অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে আসছে বাংলালিংকের ‘মুক্ত’

দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে সতর্ক সংকেত

অতিরিক্ত উদ্বেগ কাটিয়ে সুস্থ জীবনযাপনের কার্যকরী উপায়

চাঁদপুরে পচা ইলিশ বিক্রির জন্য ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বংশে পিসিওএস থাকলে নারীদের যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি নিয়ে কড়া বার্তা মন্ত্রণালয়ের

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানে নতুন উদ্যোগ

এক লাফে ভরিতে কমল ৫৪৮২ টাকা, স্বর্ণের নতুন দাম কত?

আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আভাস

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ জনের দাফন সম্পন্ন