ঢাকামঙ্গলবার , ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • অন্যান্য

মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন দিকনির্দেশনা দিল ডিএসসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
এপ্রিল ৭, ২০২৬ ২:৫৩ অপরাহ্ণ । ২১ জন

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে মশক সুপারভাইজার ও কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা শতভাগ সন্তোষজনক বলে দাবি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

ডিএসসিসি এলাকার ১০টি অঞ্চলের মোট ১,০৫০ জন মশক সুপারভাইজার ও কর্মীর জন্য এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। পাঁচটি ব্যাচে পরিচালিত এই প্রশিক্ষণে মশার জীবনচক্র, প্রজাতি শনাক্তকরণ, মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ, কীটনাশকের সঠিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, “আমাদের ব্যবহৃত লিকুইড ম্যালাথিয়ন ও টেমিফস ওষুধ আইইডিসিআর এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরীক্ষায় শতভাগ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে এর সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করলেই নগরবাসী এর সুফল পাবে। তাই এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ডিএসসিসি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজে লাগিয়ে সম্মিলিতভাবে মশক নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন করতে হবে।

ডিএসসিসির নিয়মিত কার্যক্রম অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং (লার্ভা নিধন) এবং বিকাল ৪টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অ্যাডাল্টিসাইডিং (উড়ন্ত মশা নিধন) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে চিহ্নিত ‘হটস্পট’ এলাকায় সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ সেশনে ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মশককর্মীদের জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম এবং সচিব মোহাম্মদ নাছিম আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।