
বগুড়ায় বিমানবন্দর উন্নয়নের পাশাপাশি একটি ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ায় ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে আগামী ৭ তারিখে একটি টিম সেখানে যাবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে অগ্রসর হবে। একই সঙ্গে নীলফামারীতে থাকা একটি ছোট ফ্লাইং একাডেমিও আরও উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশে পাইলট প্রশিক্ষণের ব্যয় অনেক বেশি হলেও বর্তমানে প্রশিক্ষিত পাইলটরা বিদেশি এয়ারলাইন্সে কাজ করছেন। এ কারণে সাধারণ মানুষের জন্য এভিয়েশন খাতে প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে সরকার ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনে গুরুত্ব দিচ্ছে।
বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত প্রায় ৮-৯টি অকার্যকর বিমানবন্দর পুনরায় সংস্কার করে অভ্যন্তরীণ রুটে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যেই শুরু হবে এবং থার্ড টার্মিনাল প্রকল্পের কাজ ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
পর্যটন উন্নয়ন বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যটনের সম্ভাবনাময় স্থানগুলোকে উন্নয়ন ও বিনিয়োগের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে পিপিপি মডেল ও বিদেশি সহায়তা নেওয়া হতে পারে।
মনপুরা দ্বীপকে সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা হিসেবে উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সব মিলিয়ে সরকার দেশের বিমান ও পর্যটন খাতকে আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।