
পাবনার আতাইকুলা থানা এলাকায় লাশবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলা এলাকার সড়াডাঙ্গী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদ গ্রামের সলিম প্রামানিক, তার স্ত্রী বুলু খাতুন এবং অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ (৩০)। রাজ শেখ পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ী এলাকার জামাল শেখের ছেলে।
আহত হয়েছেন সলিম প্রামানিকের মেয়ে নাজমিন খাতুন ও নাতি রিয়াদ সরদার। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সলিম প্রামানিক মারা যান।
মাধপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কেয়া খাতুন নামে এক নারীর মরদেহ নিয়ে স্বজনরা পাবনায় ফিরছিলেন। পথে সড়াডাঙ্গী এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ‘পাবনা এক্সপ্রেস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
তিনি জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই অ্যাম্বুলেন্সচালক রাজ শেখ ও বুলু খাতুন নিহত হন। পরে গুরুতর আহত সলিম প্রামানিককে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সলিম প্রামানিক ও বুলু খাতুন অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মরদেহের নানা-নানি ছিলেন। দুর্ঘটনার পর বাস ও অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।