মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
২০০৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন পাশ করেন। আজ ২০২৬ সালে আবার সেই আইনটি শক্তিশালী করতে প্রণীত অধ্যাদেশ সংশোধন করার প্রস্তুতি চলছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক জারিকৃত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের অধ্যাদেশের ধারা ২(গ) তে ই-সিগারেট, নিকোটিন পাউচসহ নতুনসব তামাক পণ্যকে ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছিল এবং ধারা ৬(গ) তে এইসব ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, এই অধ্যাদেশ থেকে গুরুত্বপূর্ণ উক্ত ধারা দুটি বাতিল করেই বিল পাশ করিয়েছে। ই-সিগারেট বিশ্বের ৪৭টি দেশে নিষিদ্ধ এবং যেসব দেশে এটি অতিমাত্রায় ছড়িয়ে পড়েছে, সেসব দেশে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলে বিশ্বের ১৩৮টি দেশে ই-সিগারেট নিয়ন্ত্রিত।
বাংলাদেশে এটি এখনই নিষিদ্ধ করা না গেলে পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না। ইতিমধ্যেই ই-সিগারেটের মাধ্যমে দেশে এমডিএমবিসহ নানা ধরনের মাদক আনা হচ্ছে। ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা না গেলে তা দেশের তরুণ প্রজন্মকে খুব দ্রুতই নেশাগ্রস্থ করে ফেলবে।
এমতাবস্থায়, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে তামাক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইনের প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে এবং দেশের জনস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষার স্বার্থে ই-সিগারেট নিষিদ্ধের ধারা বহাল রেখে আইনটি পাস করার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


