ঢাকাসোমবার , ৫ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

জলবায়ু ঝুঁকিতে ২৫ দেশ ঋণ সংকটে: মোহাম্মদ নাশিদ

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪০ বিকাল

Link Copied!

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের প্রায় ২৫টি দেশ বর্তমানে ঋণের চাপে দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বলে জানিয়েছেন মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ।

সোমবার সকালে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাশিদ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় মালদ্বীপকে প্রতিবছর জাতীয় আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। বাঁধ নির্মাণ, উপকূলীয় ভাঙন রোধ এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নে এসব অর্থ ব্যয় হচ্ছে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী না হয়েও অভিযোজন কার্যক্রমে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে গিয়ে মালদ্বীপ ঋণের বোঝায় পড়ছে। বর্তমানে দেশটির বাজেটের প্রায় ২৫ শতাংশ ঋণ পরিশোধে চলে যাচ্ছে। ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসহ মৌলিক উন্নয়ন খাতে অর্থ সংকট তৈরি হচ্ছে।

মালদ্বীপের সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব শুধু সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ নয়। সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ায় প্রবাল প্রাচীর ধ্বংস হচ্ছে, উপকূলীয় ভাঙন বাড়ছে এবং দ্বীপগুলো বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ছে।

প্রবাল প্রাচীর ধ্বংসের ফলে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এতে সামুদ্রিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষের জীবিকা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

উপকূল সুরক্ষায় কংক্রিটের অবকাঠামোর পরিবর্তে প্রকৃতিভিত্তিক অভিযোজনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান নাশিদ। তিনি বলেন, প্রতি মিটার প্রবাল প্রাচীর পুনরুজ্জীবনে প্রায় ২০ ডলার এবং ম্যানগ্রোভ রোপণে প্রায় ৫ ডলার খরচ হয়। অন্যদিকে কৃত্রিম বাঁধ নির্মাণে খরচ হয় হাজার হাজার ডলার।

তাই প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের মাধ্যমে দ্রুত প্রাকৃতিক প্রবাল বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে উপকূল সুরক্ষায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন ও সীমান্ত প্রসঙ্গে নাশিদ বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে কোনো দেশের উপকূলরেখা পিছিয়ে গেলে তার ভৌগোলিক সীমানা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলও হুমকির মুখে পড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বা UNCLOS পুনর্বিবেচনার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রকৃতি রক্ষা করা কোনো অনুদান বা দান নয়; বরং এটি মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য একটি বিনিয়োগ।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

উপকূলের ১৪ জেলায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬: কতটা নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা?

পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস যৌথভাবে কাজ করবে

কোম্পানির হস্তক্ষেপ তামাক নিয়ন্ত্রণের বড় বাঁধা

realme C100 Set to Bring All-round Durable Champion 8000mAh Titan Battery

অলরাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০

মানিকগঞ্জে বাসচাপায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি নিহত

আজ বিশ্ব বসতি দিবস

বৃষ্টির পর তেঁতুলিয়ায় শীতের আমেজ, তাপমাত্রা নামল ২০ ডিগ্রিতে

হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২ হাজার ৮৯

সরকারি হাসপাতাল তদারকিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা