
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে মুক্তা নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই এলাকার রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরেক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পৃথক দুটি ঘটনায় এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মিরহামজানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তা ওই এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে স্বামী সুজন মিয়া ও সাত বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে রেললাইন ধরে বাবার বাড়ির উদ্দেশে হেঁটে যাচ্ছিলেন মুক্তা। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
এদিকে একই এলাকার অপর একটি স্থান থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় তিন দিন আগে ওই নারীকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছিল। মরদেহে পচন ধরায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) এনামুল হক বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।