বছরের প্রথম শুক্রবারেই রাজধানীর বাজারে ঊর্ধ্বমুখী সবজির দাম। একই সঙ্গে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগির বাজারও। এতে নতুন বছরের শুরুতেই বাড়তি চাপ পড়েছে ভোক্তাদের ওপর।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কিছুটা দেরিতে বেচাকেনা শুরু হলেও শীতকালীন সবজির দামে ছিল স্পষ্ট ঊর্ধ্বগতি। যদিও পেঁয়াজ ও আলুর দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি।
বিক্রেতারা জানান, কুয়াশার কারণে পাইকারি বাজারে সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সপ্তাহ ব্যবধানে বেশিরভাগ শীতকালীন সবজির দাম ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, শিম ৮০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পটোল ১০০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৩০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
দামের এই ঊর্ধ্বমুখিতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। মোস্তাফিজুল ইসলাম নামে এক ক্রেতা বলেন, “ভরা মৌসুমে শীতকালীন সবজির দাম এত বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। ব্যবসায়ীরা ইচ্ছাকৃতভাবে বাজারে কারসাজি করছেন।”
সবজির পাশাপাশি কাঁচা মরিচের দামও বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, যা সপ্তাহ ব্যবধানে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি। পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের দাম রয়েছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।
অন্যদিকে পেঁয়াজ ও আলুর বাজারে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। পুরান দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ ও আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ৬০ টাকার আশেপাশে রয়েছে। নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে।
সবজির সঙ্গে সঙ্গে মুরগির দামও ঊর্ধ্বমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়। এছাড়া লাল লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে প্রতি কেজি ২৮০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।


