
বর্ষাকাল ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় বাড়ে ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। ভাইরাল জ্বর সাধারণত ছোঁয়াচে, যা হাঁচি-কাশি বা অন্য কোনো মাধ্যমে সহজেই একজন থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে কিছু সতর্কতা ও সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এই জ্বর থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
মানুষ কীভাবে ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাল জ্বর ছড়াতে পারে- ভাইরাসযুক্ত ধুলাবালি, থুতু বা শরীর থেকে নির্গত তরল পদার্থের মাধ্যমে, মশার কামড়ের মাধ্যমে, বাদুড়ের কামড় বা সংস্পর্শ থেকে, সংক্রমিত পাখির পালক বা পশমের মাধ্যমে, আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে।
ভাইরাল জ্বরের সাধারণ উপসর্গ:
শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া (জ্বর), শারীরিক দুর্বলতা, মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা, ঠাণ্ডা লাগা বা শীত অনুরূপ অনুভব, খাওয়ার রুচি কমে যাওয়া ও বমি ভাব।
ভাইরাল জ্বর হলে করণীয়:
১. ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ সেবন করতে হবে।
২. বিশ্রামে থাকতে হবে ও প্রচুর পরিমাণে তরল (জল, স্যুপ, ফলের রস) গ্রহণ করতে হবে।
৩. হালকা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে।
৪. তাজা ফলমূল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ভাইরাল জ্বরের প্রতিরোধে যা করতে হবে:
মশা-মাছির বিস্তার রোধ করতে জীবাণুনাশক স্প্রে ও কয়েল ব্যবহার করা, মশারি টানিয়ে ঘুমানো, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া, হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাল জ্বরকে হালকাভাবে না নিয়ে শুরু থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।