ঢাকাশনিবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

মালয়েশিয়ার প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে শীর্ষে বাংলাদেশিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ ১০:৩৮ পূর্বাহ্ণ । ৫৪ জন

মালয়েশিয়া সরকারের স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি প্রবাসী নাগরিক এই কর্মসূচিতে নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি প্রবাসী ইতোমধ্যে নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে জরিমানা ও কম্পাউন্ড বাবদ সরকার ৭৭ মিলিয়ন রিঙ্গিতের বেশি রাজস্ব আদায় করেছে।

দাতুক লোকমান জানান, এই কর্মসূচিতে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করেছেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা। তবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সুনির্দিষ্ট প্রত্যাবাসন সংখ্যার তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

গত বছর থেকে চালু থাকা এই স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন উদ্যোগ অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশিদের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে। অনেক প্রবাসী মামলা বা আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে সম্মানজনকভাবে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পথ বেছে নিচ্ছেন।

আগামী এপ্রিল পর্যন্ত এই কর্মসূচি বহাল থাকবে উল্লেখ করে দাতুক লোকমান বলেন, যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা বৈধ কাগজপত্র নেই, তারা যেন নির্ধারিত সময়ের আগেই এই সুযোগ কাজে লাগান।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থানরতদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইনে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে-কর্মসূচির শেষ সময় ঘনিয়ে এলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যায়। সে কারণে আগামী সপ্তাহগুলোতে নিবন্ধন ও প্রত্যাবাসনের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৯ মে শুরু হওয়া এই স্বেচ্ছামূলক অ্যামনেস্টি কর্মসূচির মেয়াদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে পেনিনসুলার মালয়েশিয়া ও ফেডারেল অঞ্চল লাবুয়ানের জন্য চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় অবৈধ অভিবাসীরা মামলা ছাড়াই দেশে ফিরতে পারছেন। তবে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ৫০০ রিঙ্গিত ও ৩০০ রিঙ্গিত হারে কম্পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতি স্পেশাল পাসের জন্য ২০ রিঙ্গিত ফি পরিশোধ করতে হচ্ছে।