
সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবসের সকালে হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে গেল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা। ভোর থেকেই আকাশ ছিল ঘন কালো মেঘে ঢাকা। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে একদিকে যেমন কমেছে গরমের তীব্রতা, অন্যদিকে অফিসগামী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বেড়েছে।
রামপুরা, বাড্ডা, নতুনবাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির খবর পাওয়া গেলেও সব এলাকায় একই সময়ে বৃষ্টি হয়নি। কোথাও ভারী বর্ষণ হলেও কোথাও ছিল শুষ্ক আবহাওয়া।
আকস্মিক বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন ছাতা ছাড়া বের হওয়া অফিসগামী ও শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজেই পথ চলেন। আবার অনেকে ফুটওভার ব্রিজ, দোকানের ছাউনি ও ভবনের নিচে আশ্রয় নিয়ে বৃষ্টি থামার অপেক্ষা করেন।
গণপরিবহনেও দেখা যায় ভোগান্তির চিত্র। অনেক বাসের জানালার কাচ ভাঙা বা ঠিকমতো বন্ধ না থাকায় বৃষ্টির পানি ভেতরে ঢুকে যাত্রীদের ভিজিয়ে দেয়। ছাতা সঙ্গে থাকলেও হাঁটু থেকে নিচের অংশ, জুতা ও প্যান্ট ভিজে যাওয়ায় পুরোপুরি স্বস্তি পাননি অনেকে।
মধ্যবাড্ডা এলাকায় রাস্তার পাশে লুৎফুন টাওয়ারের নিচে আশ্রয় নেন অনেক পথচারী। কেউ বৃষ্টি থামার অপেক্ষায়, আবার কেউ বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।
অফিসগামী রাশেদুল ইসলাম বলেন, অফিসে দেরি এড়াতে বৃষ্টির মধ্যেই বাসে উঠতে হয়েছে। কিন্তু জানালার কাচ ভাঙা থাকায় বসেও স্বস্তি মেলেনি, এক পাশ পুরো ভিজে গেছে।
একই বাসের যাত্রী শরিফুল হাসান বলেন, ছাতা সঙ্গে থাকলেও নিচের অংশ পুরো ভিজে গেছে। তবে তীব্র গরমের মধ্যে এই বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তিও এনে দিয়েছে।
সকালের এই বৃষ্টি রাজধানীর ব্যস্ত নগরজীবনে সাময়িক ছন্দপতন ঘটালেও প্রখর গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে নগরবাসীর মধ্যে।