
টানা ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানে পাহাড়ধসে একটি পাকা দালানসহ অন্তত সাতটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আগাম সতর্কতার কারণে বাসিন্দারা নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ায় এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা সুলতানা খান হিরা মনি।
এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কালাঘাটা বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টিতে জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে কালাঘাটা বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাশের একটি পাহাড় ধসে নিপুণ বড়ুয়ার পাকা ঘরসহ পাঁচটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি আরও তিনটি ঘরের বড় অংশ মাটিচাপা পড়ে। তবে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় বাসিন্দারা সন্ধ্যার আগেই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন নিপুণ বড়ুয়া, রন বড়ুয়া, অঞ্জনা বড়ুয়া ও সুমন বড়ুয়াসহ কয়েকটি পরিবারের সদস্য।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় সন্ধ্যার দিকে তারা ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান। পরে রাত ১০টার দিকে পাহাড়ধসে তাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইউএনও মারুফা সুলতানা খান হিরা মনি বলেন, এ পর্যন্ত বান্দরবান পৌরসভার কালাঘাটা বড়ুয়াপাড়া ও সুয়ালক এলাকায় মোট সাতটি বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।