
দেশের সর্বউত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে এরই মধ্যে শীতের আমেজ অনুভূত হতে শুরু করেছে। মধ্যরাতের পর বাড়ছে ঠান্ডার অনুভূতি। ভোরের প্রকৃতিতে দেখা মিলছে কুয়াশা ও শিশিরের। ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির আর উত্তরের হিমেল বাতাস জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের আগাম বার্তা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে সোমবার পঞ্চগড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
স্থানীয়রা জানান, বর্ষার আমেজ পুরোপুরি কাটতে না কাটতেই মধ্যরাত থেকে কিছুটা ঠান্ডা বাতাস অনুভূত হচ্ছে। ভোরে চারপাশে কুয়াশার আবরণ এবং ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরের দেখা মিলছে। উত্তরের হিমেল বাতাসে অনুভূত হচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের আগাম বার্তা।
হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থানের কারণে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে শীতের অনুভূতি অপেক্ষাকৃত আগেভাগেই শুরু হয়। শীতের এই আগাম বার্তা প্রকৃতিতে সৌন্দর্য নিয়ে এলেও শীতার্ত মানুষের জন্য আগাম প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, শীত মৌসুমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। মৌসুমের বেশিরভাগ দিনেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এই জেলায় রেকর্ড হয়ে থাকে। অনেক সময় তাপমাত্রার পারদ এক অঙ্কের ঘরেও নেমে আসে।