
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাতের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক আকাশপথে। এর জেরে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরও পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফলে এ পর্যন্ত বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০০-তে।
বুধবার (১১ মার্চ) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহা এয়ারফিল্ড এখনো সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে বুধবার সারাদিনে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাঁচটি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দরের জনসংযোগ বিভাগ জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই রুটের দুটি আগমন (অ্যারাইভাল) ও দুটি প্রস্থান (ডিপারচার) মিলিয়ে মোট চারটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্যগামী একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইটও নির্ধারিত সময় অনুযায়ী উড্ডয়ন করতে পারেনি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা শুরুর পর থেকে আজ পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বমোট ১০০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী যাত্রী চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।
তবে ফ্লাইট বাতিলের এই দুঃসংবাদের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার অ্যারাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
বুধবার সারাদিনে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত আটটি অ্যারাইভাল এবং পাঁচটি ডিপারচার ফ্লাইট সচল ছিল বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।