
মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে কোনো একক পদ্ধতি যথেষ্ট নয়; গবেষণা, উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই এ ধরনের রোগ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।
বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মশক নিধনে গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন বিষয়ক শোকেসিং পর্যালোচনা উপলক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সচিব বলেন, গবেষণায় সফলতা অর্জনের জন্য গবেষকদের দৃঢ় অঙ্গীকার, নিষ্ঠা এবং লক্ষ্যভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন। সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে গবেষণা পরিচালিত হলে বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব।
তিনি মশার জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে আধুনিক ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি গবেষণায় সম্ভাবনাময় প্রযুক্তিগুলো যাচাই-বাছাই করে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে পরীক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত (মাল্টি-অ্যাপ্রোচ) কৌশল গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় কার্যকর মশক নিধনে সম্ভাব্য নতুন প্রযুক্তি, চলমান গবেষণার অগ্রগতি এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা ও বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ আশরাফ আলী ফারুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, আইসিডিডিআরবি, আইইডিসিআরের অধ্যাপক ও গবেষক, অস্ট্রেলিয়া থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়া প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ড. মুর্শিদা খান, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।