
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ পর্যন্ত ৬৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সর্বশেষ গত শুক্রবারও ১৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দর জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে শুক্রবারের ১৪টি ফ্লাইটসহ মোট ৬৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের কারণে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রভাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ড বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে এসব রুটের ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায়।
সর্বশেষ শুক্রবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ছিল— বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা ২টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৩টি অ্যারাইভাল ও ৩টি ডিপার্চার, এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের ৩টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার ফ্লাইট।
যদিও সীমিত পরিসরে কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল করেছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে ২টি অ্যারাইভাল এবং চট্টগ্রাম-মাস্কাট রুটে ২টি ডিপার্চার ফ্লাইট, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জেদ্দা-চট্টগ্রাম রুটে ১টি অ্যারাইভাল ও চট্টগ্রাম-জেদ্দা রুটে ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে ১টি অ্যারাইভাল ও চট্টগ্রাম-মাস্কাট রুটে ১টি ডিপার্চার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।