ঢাকারবিবার , ১ মার্চ ২০২৬
  • অন্যান্য

জাতীয় বীমা দিবসে নেই কোন উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মার্চ ১, ২০২৬ ১২:২৭ অপরাহ্ণ । ৯৮ জন

আজ ১ মার্চ, জাতীয় বীমা দিবস। ২০২০ সাল থেকে দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। বীমা শিল্পের উন্নয়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ দিবসের সূচনা। প্রতি বছর সরকার কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানসহ দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি পালন করেছে।

তবে এবার দৃশ্যপট ভিন্ন। কোনো সরকারি নির্দেশনা না থাকায় জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান তো নয়ই, বিভাগ, জেলা কিংবা উপজেলা পর্যায়েও দেখা যায়নি আলোচনা সভা, র‍্যালি বা প্রচারণা কার্যক্রম। ফলে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত একটি রাষ্ট্রীয় দিবস নীরবতার মধ্যেই কেটে যাচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি) থেকে এ বছর কোনো নির্দেশনা জারি করা হয়নি। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) জানিয়েছে, নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সংস্থাটির পরামর্শক (মিডিয়া ও যোগাযোগ) ও মুখপাত্র সাইফুন্নাহার সুমি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় বীমা দিবসের মর্যাদা বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক কয়েক বছরের উদ্যোগ। শুরুতে দিবসটি ‘খ’ শ্রেণীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০২১ সালের ১ মার্চ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এটিকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নীত করার দাবি ওঠে। পরে ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি আইডিআরএ আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে আবেদন জানায়। একই বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভায় দিবসটিকে ‘খ’ শ্রেণী থেকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়। ১০ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদন পায়। এরপর ২০২৩ সালের ১৩ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পরিপত্র জারি করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেয়। আগের ২০২০ সালের পরিপত্র বাতিল করা হয়।

সাধারণত রাজধানীর চীন-মৈত্রি আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতো। সরকারপ্রধান বা জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতেন। দেশব্যাপী বীমা কোম্পানির শাখা কার্যালয়গুলো ব্যানার-ফেস্টুনে সজ্জিত হতো। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা, র‍্যালি এবং সচেতনতামূলক প্রচারণা পরিচালিত হতো। এসব আয়োজনের মাধ্যমে বীমার গুরুত্ব তুলে ধরা হতো সাধারণ মানুষের কাছে।