ঢাকারবিবার , ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • অন্যান্য

খুলনায় সবজির লাগামহীন দাম, ক্রেতাদের ভোগান্তি বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নভেম্বর ১৬, ২০২৫ ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ । ১৬৯ জন

খুলনার বাজারে সবজির দাম লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। সরবরাহ বাড়লেও দামে বড় ধরনের পরিবর্তন আসেনি। দুই সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দামও বাড়তি রয়েছে। তবে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে মাছের দামে।

রোববার (১৬ নভেম্বর) খুলনার নতুন বাজার, নিউমার্কেট ও মিস্ত্রিপাড়া বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

সবজির বাজারের খুচরা দামে দেখা যায়—বেগুন ৬০–৭০ টাকা, করলা ৭০–৮০ টাকা, বরবটি ৬০–৭০ টাকা, পটোল ৪০–৫০ টাকা, লালশাক-পালং শাক ২৫–৩০ টাকা, লাউ শাক ৪০–৫০ টাকা, কুমড়া ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০–৫০ টাকা, লাউ ৩০–৪০ টাকা (প্রতি পিস), টমেটো ৮০–১০০ টাকা, শিম ৭০–৮০ টাকা, ফুলকপি ৯০–১০০ টাকা ও কাঁচামরিচ ১৮০–২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ ১১০–১৩০ টাকা এবং রসুন ৮০–১০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

মাংসের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি ১৬০–১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ২৫০ টাকা, লেয়ার ২৬০–২৭০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০–১২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে দাম কিছুটা কমেছে। রুই ২২০–২৫০ টাকা, ভেটকি ৫০০–৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০–৮০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০–১৬০ টাকা, পাবদা ৩০০–৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৬০–১৮০ টাকা, কাতল ২৪০–২৫০ টাকা এবং ছোট মাছ ৩০০–৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, শীতের কারণে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে, তাই দাম কমছে। সামুদ্রিক মাছ উঠলে দাম আর কমতে পারে।

সবজি ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, পাইকারি বাজারে দামের তারতম্যের কারণে খুচরা দামে প্রভাব পড়ছে। তাদের দাবি, গত দুই সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কেজিতে ৫–১০ টাকা কমেছে, তবে এখনো স্বস্তির পর্যায়ে আসেনি। সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কিছুটা কমবে বলে তারা আশা করছেন।

ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা দাম কমার কথা বললেও বাস্তবে বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। গৃহবধূ মিনা খাতুন বলেন, দোকানদাররা বলে দাম কমেছে, কিন্তু প্রতিদিন বাজারে এসে তেমন পার্থক্য দেখতে পাই না। শীতের সবজির দাম এখনো লাগামের বাইরে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন আগামী সপ্তাহে সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।