ঢাকাবুধবার , ১১ জুন ২০২৫
  • অন্যান্য

করোনার বিস্তার ঠেকাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুন ১১, ২০২৫ ২:২০ অপরাহ্ণ । ৩১৫ জন

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার বাড়ছে। পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১১টি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পাশাপাশি সন্দেহভাজন রোগীদের জন্যও চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দেশের সব স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরে আইএইচআর (IHR) ডেস্কে স্ক্রিনিং জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১১ নির্দেশনা:

১. জনসমাগম এড়িয়ে চলুন, উপস্থিত হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করুন।
২. শ্বাসতন্ত্রের রোগ থেকে রক্ষায় নিয়মিত মাস্ক পরিধান করুন।
৩. হাঁচি-কাশির সময় বাহু বা টিস্যু দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখুন।
৪. ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন।
৫. ঘন ঘন সাবান-পানি বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে ফেলুন।
৬. অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করবেন না।
৭. আক্রান্তদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন, অন্তত ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।
৮. ভালোভাবে ঘর পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখুন।
৯. ঠান্ডা, জ্বর বা কাশি হলে নিজ থেকে আইসোলেশনে থাকুন।
১০. সন্দেহ হলে দ্রুত করোনা পরীক্ষা করুন।
১১. প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং স্বাস্থ্য বাতায়নের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য ৪টি বিশেষ নির্দেশনা:

১. জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট থাকলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ঘরে থাকুন।
২. রোগীর নাক-মুখ ঢাকতে মাস্ক ব্যবহার করুন।
৩. রোগীর সেবাদানকারীকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।
৪. পরিস্থিতির অবনতি হলে নিকটস্থ হাসপাতাল, আইইডিসিআর (০১৪০১-১৯৬২৯৩) অথবা স্বাস্থ্য বাতায়ন (১৬২৬৩)-এ যোগাযোগ করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। করোনা রোধে জনসচেতনতা এবং দায়িত্বশীল আচরণই সবচেয়ে কার্যকর উপায় বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।