
ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নছিমনের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে কাজল কুমার রায় নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার টিকরপুর এলাকায় এন মল্লিক ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে এবি ব্যাংকের নবাবগঞ্জের গালিমপুর শাখায় কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন কাজল কুমার রায়। টিকরপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি নছিমনের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন কাজল কুমার রায়। এতে তার দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও নছিমনের চালক তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অটোরিকশার চালক ঘুম ঘুম অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ কারণে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নছিমনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে টিকরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
নিহত কাজল কুমার রায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের সুশীল কুমার রায়ের ছেলে। তার সঙ্গে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংকের ভিজিটিং কার্ড ও অন্যান্য কাগজপত্র দেখে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এবি ব্যাংকের গালিমপুর শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।