
আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) থেকে দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ কর্মসূচি। এতে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এবার ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার সকাল ৯টায় বনানীর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কড়াইল টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিশেষ হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন।
এর আগে গত রোববার সচিবালয়ে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। ওই কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। এতে লক্ষ্যমাত্রার ১০২ থেকে ১০৪ শতাংশ পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এরপর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ২৩ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ দেওয়া হয়। তখন দেখা যায়, আগের টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ৪৩ লাখ শিশু বাদ পড়েছে। পরে মপ-আপ ক্যাম্পেইন চালিয়ে এরই মধ্যে আরও ১৯ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে।
ফলে এখনো ২৪ লাখ শিশু টিকার বাইরে রয়েছে। এর সঙ্গে গত তিন মাসে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা আরও প্রায় ১০ লাখ শিশু যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এবার ৩৪ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফের কাছ থেকে আরও ৪৩ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে সরকারের মজুদে ছিল ১৫ লাখ ডোজ। সব মিলিয়ে বর্তমানে ৫৮ লাখ ডোজ টিকা রয়েছে।
তিনি বলেন, ১০ শতাংশ টিকা নষ্ট হওয়ার হিসাব ধরলেও প্রায় ৫২ লাখ ডোজ টিকা থাকবে। ফলে ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত টিকা মজুদ থাকবে।