ঢাকাসোমবার , ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

আজকের সর্বশেষ সবখবর

খামার ও হ্যাচারি খাতে ব্যয় কমাতে সরকারের ১০০ কোটি টাকার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ২৬, ২০২৬ ৪:২১ অপরাহ্ণ । ১৫২ জন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং খামারি ও উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ১০০ কোটি টাকার ভর্তুকি দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর আওতায় মৎস্য খামার, হ্যাচারি এবং গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামার সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট (ছাড়) সুবিধা পাবে।

এ লক্ষ্যে গত ২২ জানুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্য খামার, হ্যাচারি, গবাদিপশু ও পোল্ট্রি খামারিদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং টেকসই প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন নিশ্চিত করতেই এ ভর্তুকি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতগুলোকে বিদ্যুৎ রিবেট সুবিধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ প্রদান এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে সরকারের বিদ্যুৎ রিবেট নীতিমালার আওতায় বর্তমানে মোট ১৬টি খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ রিবেট প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট চারটি খাতে অর্থ বিভাগ নীতিগতভাবে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদানের অনুমোদন দিয়েছে।

ভর্তুকির আওতাভুক্ত খাতগুলো হলো- পশু ও পোল্ট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী শিল্প, ফিস ফিড উৎপাদন শিল্প, পোল্ট্রি শিল্প, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত শিল্প।

দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত শিল্পের আওতায় দুধ পাস্তুরিতকরণ, গুঁড়ো দুধ, আইসক্রিম, কনডেন্সড মিল্ক, মিষ্টান্ন, পনির, ঘি, মাখন, চকোলেট ও দই উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে খামার ও শিল্প পর্যায়ে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং নিরাপদ ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে দেশ আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে।