প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারাদেশে খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। পাঁচ বছরের এই প্রকল্পে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খালের খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কাটার মাধ্যমে খাল খনন শুরু করেন এবং সেখানে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনন্ত্রী”], পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
প্রধানমন্ত্রী খাল খনন উদ্বোধনের পরে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন। এরপর তিনি দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে তাঁর নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত এবং স্থানীয় সুধীজন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেবেন।
বিএনপি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সময়ে খনন করা অনেক খাল এখন ভরাট। পুনঃখননের মাধ্যমে সেচব্যবস্থা উন্নয়ন, মাছ চাষ, হাঁস পালনসহ খালনির্ভর অর্থনীতি শক্তিশালী করা হবে।
গত শুক্রবার সাহাপাড়া-বলরামপুর খাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন জানান, প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল খননের ফলে সাড়ে তিন লাখ মানুষ উপকৃত হবেন। এতে অতিরিক্ত বন্যা থেকে সুরক্ষা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের সুবিধা নিশ্চিত হবে।
খাল খনন কর্মসূচি দেশের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বিএডিসি-এর সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হবে। এই কর্মসূচির মধ্যে থাকবে খালের পানি বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা, খালপাড় রক্ষা, বাঁধ নির্মাণ এবং বৃক্ষরোপণের মতো উদ্যোগ। এর ফলে কেবল সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে না, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং স্থানীয় জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নও সম্ভব হবে।


