ঢাকাবুধবার , ১১ মার্চ ২০২৬

রামুতে পাহাড় কাটার ঘটনায় দুই সচিবসহ ১২ কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মার্চ ১১, ২০২৬ ১:৩৩ অপরাহ্ণ । ৫ জন

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের পাশে রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ছাইল্ল্যাতলী এলাকায় নির্বিচারে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। এই পাহাড় কাটা বন্ধ এবং ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সরকারের দুই সচিবসহ ১২ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ডাকযোগে বেলার পক্ষে আইনজীবী জাকিয়া সুলতানা এই নোটিশ পাঠান।

নোটিশে পাহাড় কেটে গড়ে তোলা অবৈধ স্থাপনাগুলো দ্রুত অপসারণ এবং সেখানে দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণের দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, দুই জেলার পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদফতরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক, কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক, বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক এবং কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তাসহ মোট ১২ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বেলার নোটিশে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজারসহ চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় পাহাড় কাটা বন্ধে ২০১২ সালের ১৯ মার্চ উচ্চ আদালত কঠোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশনায় বলা হয়, পাহাড় কেটে কোনো আবাসন প্রকল্প বা ইটভাটা তৈরি করা হলে তা অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।

বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাতে নোটিশে বলা হয়েছে, রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ছাইল্ল্যাতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০টি পাহাড় নির্বিচারে কাটা হচ্ছে। স্থানীয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ ধ্বংসযজ্ঞের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবেশ অধিদফতরের জরিমানা বা বন বিভাগের মামলার ভয়ও এই চক্রকে থামাতে পারছে না।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বেলার আইনজীবী জাকিয়া সুলতানা বলেন, কক্সবাজারে পাহাড় কাটা বন্ধে উচ্চ আদালতের স্পষ্ট ও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এরপরও যদি এই কার্যক্রম বন্ধ না হয়, তাহলে বিষয়টি আবারও উচ্চ আদালতের নজরে আনা হবে।

তথ্যসুত্র: ঢাকা মেইল