ঢাকাবুধবার , ১০ জুন ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রয়োজন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
২ জুন ২০২৪, ১০:১৫ পূর্বাহ্ণ

Link Copied!

ভিটামিন ‘এ’ প্লাস কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। ক্যাম্পেইন সফল করতে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আর তা নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্বস্থ্যমন্ত্রী।

গতকাল (০১ জুন) শনিবার জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান (নিপসম) অডিটোরিয়ামে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

সামন্ত লাল সেন বলেন, স্বল্প সময়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে মন্ত্রণালয় সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ক্যাম্পেইনকে সফল করতে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। আর তা নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকস মিডিয়ার সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন তত্ত্বাবধানের জন্য ক্যাম্পেইনের দিন প্রতিটি উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক কন্ট্রোল রুম খোলা রাখা হবে।

সামন্ত লাল সেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার ফলে বাংলাদেশে অপুষ্টির হার কমেছে এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্র্সা পেয়েছে। শুধু দেশেই নয়, বিশ্ব নেতৃত্বের পুষ্টি ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের পুষ্টি পরিস্থিতি উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরবর্তী সময়ে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছিল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করেন। পরবর্তীতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে দেশে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

বর্তমান সরকারের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের সফলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বছরে ২ বার শতকরা ৯৮ ভাগ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর ফলে ভিটামিন ‘এ’ অভাবজনিত অন্ধত্বের হার শতকরা ১ ভাগের নিচে নেমে এসেছে এবং শিশু মৃত্যুর হারও কমেছে। এই সাফল্য ধরে রাখতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো চলমান রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. জিয়াউদ্দীন ও অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে নতুন রেকর্ডের পথে বাংলাদেশ

বিষ-রাসায়নিকের মরণফাঁদে বিপন্ন হাওরের বাস্তুসংস্থান

জাটকা সংরক্ষণে কঠোর অভিযান, দরিদ্র জেলেদের বাড়তি সহায়তা দেবে সরকার

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের বড় পতন, কমতে পারে দেশের বাজারের দামও

দুপুরের মধ্যে ১২ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা

তরুণদের সুরক্ষা ও অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে তামাক কর বাড়ানোর দাবি

প্রবাসীদের কল্যাণে একসঙ্গে কাজের অঙ্গীকার হাইকমিশন ও গণমাধ্যমের

বাজেটে সব সিগারেটের দাম বাড়ছে

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণ-রুপার দাম

মাঝারি পর্যায়ে ঢাকার বায়ুদূষণ

ইরানে বিমান চলাচল স্বাভাবিক, তেহরানে অবতরণ শুরু হজ ফ্লাইটের

PKSF and CIMMYT to work together for sustainable agricultural development