ঢাকাবুধবার , ১৮ মার্চ ২০২৬
  • অন্যান্য

চন্দ্রায় তীব্র যানজট, ঈদে ঘরমুখী মানুষের ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক
মার্চ ১৮, ২০২৬ ১১:০১ পূর্বাহ্ণ । ২৪ জন

ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখী মানুষের চাপে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে।

চন্দ্রা ত্রিমোড় ঘিরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের প্রায় ১৫ কিলোমিটারজুড়ে দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে। এতে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রী ও পরিবহনচালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর থেকে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল পর্যন্ত এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের কবিরপুর এলাকা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।

যাত্রীরা জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন থাকলেও যাত্রী ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিশেষ করে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় বিভিন্ন দিক থেকে আসা যাত্রীর ভিড় এবং বাসে ওঠানামার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের কয়েক শতাধিক পোশাক কারখানা মঙ্গলবার দ্বিতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা করেছে। ছুটি শুরু হতেই কর্মজীবী মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হওয়ায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

সাব্বির নামে এক যাত্রী বলেন, “চন্দ্রার আগে তেমন যানজট নেই; কিন্তু এলাকায় ঢুকতেই ভোগান্তি শুরু হয়। ফ্লাইওভারের পূর্ব পাশ থেকে খাড়াজোড়া পর্যন্ত যানজট বেশি। এই অংশ পার হলে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।”

শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। সোমবার ৬২টি, মঙ্গলবার ৪৪৪টি, বুধবার ১ হাজার ৪১৪টি এবং বৃহস্পতিবার ৮৩৩টি কারখানা ছুটি দেবে। ফলে আগামী কয়েক দিন মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে।

নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সওগাতুল আলম বলেন, “মঙ্গলবার দুপুর থেকে যাত্রীর চাপ বাড়তে শুরু করেছে। সন্ধ্যার পর তা আরও বেড়েছে। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে ধীরগতির যানজট রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ কাজ করছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।”