
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেটের অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। রোববার সকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই বাজেট চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
এবারের বাজেটে আলোচিত ‘কালো টাকা সাদা’ করার সুযোগ রাখা হয়নি। বাজেট চূড়ান্তকরণের আগে এ বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনা ওঠে নানা মহলে। সমালোচনার প্রেক্ষিতেই এটি বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ২ জুন টেলিভিশনের মাধ্যমে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৭ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
অন্তর্বর্তী সরকারের এই বাজেটের মাধ্যমে সাড়ে ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটও একই সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
অর্থবিভাগ সূত্র জানিয়েছে, আজই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অর্থবিলে স্বাক্ষর করবেন এবং পরে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বাজেট কার্যকর হবে। এই বাজেট আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
সংসদ কার্যকর না থাকায় এবার বাজেট নিয়ে কোনো সংসদীয় আলোচনা হয়নি। তবে বাজেট ঘোষণার পর সরকার অনলাইনে জনগণের মতামতের সুযোগ দেয়। বেসরকারি সংস্থা ও অর্থনীতিবিদরা তাদের মতামত জানালেও প্রস্তাবিত বাজেটে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।