হিমালয়ের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে উত্তরের জনপদ পঞ্চগড়ে সকাল সকাল সূর্যের দেখা মিললেও জেলায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। রোদ ঝলমলে থাকলেও শীতের তীব্রতা কমেনি। গত কয়েকদিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। গতকালের তুলনায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও শীতে নাজেহাল হয়ে পড়েছে এ জনপদের মানুষ।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার। এর আগে সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই দিনে সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে পঞ্চগড়ের আশপাশের জেলাগুলোতেও কয়েক দিন ধরে হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাসের প্রভাবে ঠান্ডা অব্যাহত রয়েছে। রাত ও সকালে তীব্র শীতের কারণে গ্রাম-গঞ্জের মানুষ গরম কাপড় পরিধান করে ঘর থেকে বের হচ্ছেন। দিনের বেলায় রোদের দেখা মিললেও শীতের প্রকোপ কমছে না।
শীতের তীব্রতা বাড়ায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালের বহির্বিভাগে শীতজনিত রোগীর ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রতিদিনই অনেক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন, যাদের বেশির ভাগই শিশু ও বয়স্ক। বেশি অসুস্থ রোগীদেরই কেবল হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।
তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রির মধ্যেই ওঠানামা করছে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


