
খুলনায় কমতে শুরু করেছে সবজির দাম। বাজারে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করায় প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে বিভিন্ন সবজির দাম। একই সঙ্গে সবধরনের মুরগির দামও কেজিপ্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
রোববার (২ নভেম্বর) খুলনার নতুন বাজার, নিউ মার্কেট ও মিস্ত্রিপাড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
বাজারে বর্তমানে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০–৭০ টাকা, করলা ৭০–৮০ টাকা, বরবটি ৬০–৭০ টাকা, পটোল ৪০–৫০ টাকা, লালশাক ও পালংশাক ২৫–৩০ টাকা, লাউ শাক ৪০–৫০ টাকা, কুমড়া ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০–৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৪০–৫০ টাকা, টমেটো ৮০–১০০ টাকা, শিম ৭০–৮০ টাকা এবং ফুলকপি ১০০–১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচামরিচ ১৮০–২০০ টাকা, পেঁয়াজ ৭০–৮০ টাকা এবং রসুন ৮০–১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০–১৭০ টাকা কেজি দরে, সোনালি ২৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২৬০–২৭০ টাকা কেজি দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০–১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজারে রুই বিক্রি হচ্ছে ২৫০–৩০০ টাকা, ভেটকি ৫০০–৬০০ টাকা, চিংড়ি ৬০০–১০০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০–১৮০ টাকা, পাবদা ৩০০–৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৭০–২০০ টাকা এবং ছোট মাছ ৩০০–৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মিস্ত্রি বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মাসুদ কাজি বলেন, “নতুন সবজি বাজারে আসায় দাম কিছুটা কমেছে। তবে শীতকালীন সবজির দাম এখনো বেশি। আরও সরবরাহ বাড়লে দাম স্বাভাবিক হবে।”
নতুন বাজারের মাছ ব্যবসায়ী ইমন শেখ বলেন, “এ সপ্তাহে মাছের চালান বেড়েছে। ফলে অনেক মাছের দাম ৪০–৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সামুদ্রিক মাছ বাজারে থাকলে দাম আরও স্থিতিশীল থাকে।”
ক্রেতা খোকন ফরাজি বলেন, “বেগুনের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমলেও এখনো ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন সবজির দামও ৮০ টাকার নিচে নামেনি।”
আরেক ক্রেতা আকরাম হোসেন বলেন, “মুরগির দাম কমলেও মাছ-সবজির দাম এখনো সবার নাগালের মধ্যে নয়। ১০০ টাকায় দুই পদের সবজি কিনতেই কষ্ট হচ্ছে। দাম আরও কিছুটা কমলে খরচে স্বস্তি আসবে।”
বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই আশা করছেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফিরে আসবে।