মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের পর থেকে এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ অভিবাসনের ওপর কঠোর নিয়মকানুন চালু রাখার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাতিল হওয়া ভিসার মধ্যে রয়েছে ৮,০০০ শিক্ষার্থী এবং ২,৫০০ বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তা। অধিকাংশ ভিসা অপরাধমূলক কার্যকলাপের কারণে বাতিল করা হয়েছে, যা মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র দফতের উপ-মুখপাত্র টমি পিগট জানান, চারটি প্রধান কারণে ভিসা বাতিল করা হয়েছে-অবৈধভাবে দীর্ঘ সময় থাকা, মদ্যপানের পর গাড়ি চালানো, হামলা এবং চুরি। ২০২৪ সালের তুলনায় ভিসা বাতিলের হার ১৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পিগট আরও জানান, পররাষ্ট্র দফতর একটি কন্টিনিউয়াস ভেটিং সেন্টার চালু করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব বিদেশি নাগরিকের আইন মেনে চলা নিশ্চিত করবে এবং যারা দেশ ও নাগরিকদের জন্য হুমকিস্বরূপ তাদের ভিসা দ্রুত বাতিল করা হবে।
এতে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, কিছু ক্ষেত্রে বৈধ ভিসাধারীও বাতিলের আওতায় পড়েছে, যা প্রক্রিয়া ও মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একই সঙ্গে প্রশাসন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যাচাই-বাছাই এবং বর্ধিত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে আরও কঠোর নীতি গ্রহণ করেছে।
পররাষ্ট্র দফতরের এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে ‘গুন্ডাদের’ বহিষ্কার অব্যাহত থাকবে।
নভেম্বরে জানানো হয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন শপথ গ্রহণের পর থেকে প্রায় ৮০,০০০ অ-অভিবাসী ভিসা বাতিল করেছে, যার মধ্যে রয়েছে মাদকাসক্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো, হামলা ও চুরির মতো অপরাধ।


