আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে শুরু হয়েছে অগ্রিম বাস ও ট্রেনের টিকিট বিক্রি। ভোর থেকেই বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানি বাসের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ রেলওয়ে সকাল ৮টা থেকে তাদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি কার্যক্রম চালু করছে।
বাসের টিকিট কাউন্টার ও অনলাইন—উভয় মাধ্যমেই পাওয়া গেলেও ট্রেনের টিকিট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে।
সম্ভাব্য ঈদ ২০ বা ২১ মার্চ
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০ অথবা ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। মুসলমানদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকা ছাড়বেন কয়েক কোটি মানুষ। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই শুরু হয়েছে টিকিট প্রত্যাশীদের কাঙ্ক্ষিত ‘টিকিট যুদ্ধ’।
বাস টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত
গত শনিবার বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অগ্রিম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ জানান, আগামী ১২ মার্চ থেকে ঈদযাত্রা শুরু ধরে নিয়ে আজ ভোর থেকেই টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, কাউন্টার ও অনলাইন—সবক্ষেত্রেই বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর থাকবে। প্রতিটি বাস কাউন্টারে নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট টাঙানো থাকবে এবং অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
রেলের টিকিট বিক্রির সূচি
রেলওয়ে জানিয়েছে, আজ ১৩ মার্চের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে অগ্রিম কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে সাত দিন টিকিট বিক্রি চলবে।
৪ মার্চ (বুধবার) – ১৪ মার্চের টিকিট
৫ মার্চ (বৃহস্পতিবার) – ১৫ মার্চের
৬ মার্চ (শুক্রবার) – ১৬ মার্চের
৭ মার্চ (শনিবার) – ১৭ মার্চের
৮ মার্চ (রোববার) – ১৮ মার্চের
৯ মার্চ (সোমবার) – ১৯ মার্চের টিকিট
প্রতিদিন পশ্চিমাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে।
একজন যাত্রী অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রায় সর্বোচ্চ একবার এবং প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি করে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। ঈদযাত্রা শেষে যথাসময়ে ফিরতি টিকিট বিক্রির তারিখও ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।


