মাদারীপুরের পাইকারি-হাটবাজারে দেশি মাছের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ক্রেতারা চরম ক্ষুব্ধ। সরবরাহ কম হওয়ায় বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন, যা খুচরা বাজারে প্রভাব ফেলছে।
পাইকারি মাছের আড়তদাররা জানাচ্ছেন, নদ-নদীতে কারেন্ট জাল ব্যবহার করা এবং অন্যান্য মাছের বাজারে চাহিদা কম আসায় দেশি মাছের সরবরাহ কমেছে। এতে দাম কিছুটা বেড়েছে।
মাদারীপুর শহরের পুরাণ বাজারে ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় পাইকারি মাছের কেনাবেচা। দূরদূরান্ত থেকে পাইকার ও ব্যবসায়ীরা মাছ কিনতে ভিড় করেন। তবে পুকুর, জলাশয় ও বিল থেকে আসা মাছের সরবরাহ কিছুদিন ধরে কম থাকায় আড়তে দেশি মাছ পাওয়া দায় হয়ে গেছে।
মহিষেরচর এলাকার ক্রেতা মুনসুর মিয়া বলেন, “মাছের বাজারে তো আগুন লেগেছে। অল্প আয়ের মানুষ মাছ কিনে খেতে পারছে না। আমরা চাই বাজার সবসময় নিয়ন্ত্রণে থাকুক।”
হোটেল ব্যবসায়ী মিলন হোসেন বলেন, “সরবরাহ কমের অজুহাতে বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে রাখে। ক্রেতা হিসেবে আমাদের করার কিছু নেই।”
পুরাণ বাজার পাইকারি মৎস আড়ত সমিতির সভাপতি মোসলেম মাতুব্বর জানিয়েছেন, “বাজারে দেশি মাছ নেই, নদনদীর মাছের সরবরাহ কম। চাহিদা বেশি, তাই দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে আছে। দিনে দিনে দেশি মাছের সরবরাহ কমছে, মূল কারণ কারেন্ট জালের ব্যবহার।”


