ঢাকামঙ্গলবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

খুলনার বাজারে রমজানে ফলের দাম চড়া, সাধারণ মানুষ বিপাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ১১:১২ পূর্বাহ্ণ । ৩৮ জন

পবিত্র রমজানের চাহিদা কাজে লাগিয়ে খুলনার বাজারে দেশি ও বিদেশি সব ধরনের ফলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইফতারের অপরিহার্য উপকরণ খেজুর থেকে শুরু করে আপেল, মাল্টা, কলা ও আঙুরের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রকারভেদে খেজুরের দাম বেড়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দাবাস খেজুর ৫ কেজি কার্টন বিক্রি হচ্ছে ২,৬০০ টাকায়, জিহাদী খেজুর ১০ কেজি কার্টন ২,৪০০ টাকায়, আর বস্তা খেজুরের দাম বেড়ে ২২০ টাকা হয়েছে। গত সপ্তাহে এই দাম ছিল যথাক্রমে ২,০০০–২,২০০ টাকা ও ১৪০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলেন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বৃদ্ধি করেছে।

মেসার্স কায়সার ফল ঘরের মালিক কায়সার হোসেন বলেন, “বাজারে যে সকল খেজুরের সংকট রয়েছে সেগুলোর দাম বেড়েছে। অন্যান্য খেজুরের দাম প্রতি কেজিতে ১০০–১৫০ টাকা বেড়েছে।”

বাজারে অন্যান্য ফলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। আপেল প্রতি কেজি ৩২০–৩৪০ টাকা, মাল্টা ৩৫০–৩৭০ টাকা, আঙুর ৪৫০–৬৫০ টাকা, আনার বা বেদানা ৫০০–৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তরমুজের দাম ৯০–১৫০ টাকা প্রতি কেজি, লেবু ৮০–১০০ টাকা প্রতি হালি, পেয়ারা ১০০ টাকা প্রতি কেজি এবং কলার দামও মানভেদে চড়া।

বেসরকারি এনজিওতে কর্মরত রাকিব জানান, “অন্য সময় ফল কম খেলেও রোজার সময় ইফতারে চাহিদা থাকে। কিন্তু প্রতিটি ফলের দামই বাড়তি। লেবু কিনলেও আকারভেদে ৫০–৭০ টাকা হালি দিতে হচ্ছে। আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা রমজানকে টাকা কামানোর মাস হিসেবে বেছে নিয়েছে।”

খুলনা জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ বিন হাবিব বলেন, “রোজায় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছি। অনিয়ম ধরা পড়লে জরিমানা করা হচ্ছে। পুরো রমজান জুড়েই এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”