ঢাকাবুধবার , ২১ জানুয়ারি ২০২৬
  • অন্যান্য

রাজশাহীতে কাঁচামরিচ ও শীতকালীন সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ২১, ২০২৬ ১:০৯ অপরাহ্ণ । ১৩৮ জন

রাজশাহীর কাঁচাবাজারে কাঁচামরিচ ও শীতকালীন সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। তবে পেঁয়াজ, মুরগি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) শহরের সাহেব বাজারসহ কয়েকটি প্রধান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

নতুন পেঁয়াজ কেজিতে ৫ টাকা কমে বর্তমানে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে বেগুনের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম; প্রতি কেজি ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করল্লার দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা, শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।

আলু, টমেটো ও অন্যান্য শীতকালীন সবজির দামেরও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। ডায়মন্ড আলু ২০-২৫ টাকা, লাল ও হল্যান্ড আলু ২৫-৩০ টাকা, নতুন আলু ৩০-৪০ টাকা, টমেটো ৬০-৭০ টাকা, ফুলকপি ৪০-৫০ টাকা এবং মুলা ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ বাড়ায় শাকের দাম ১০-২০ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল।

মাংসের বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৫ টাকা কমে ১৫৫ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭৫০ টাকায়। ডিমের দামও কমে ডজনে ১৮ টাকা কমে ৯৬ টাকায় পৌঁছেছে।

চালের বাজারে আবার চাপ বেড়েছে। মানভেদে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সরু চাল ৮২-৮৭ টাকা ও মোটা চাল ৬২-৬৭ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। সরিষার তেলের দাম লিটারে ২০০ টাকায়, প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল ১৮০-১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিনি ও ডালের দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে।

বাজারে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা সরবরাহের ঘাটতি ও শীতকে দায়ী করছেন। সাহেব বাজারের কাঁচামরিচ বিক্রেতা আবদুল মালেক বলেন, “শীতের কারণে ক্ষেত থেকে কাঁচামরিচ উঠছে কম। সরবরাহ কম থাকায় দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে।”

কৃষি ও সবজি বিক্রেতারা জানান, শীতকালে চাহিদা বেশি হওয়ায় দাম বাড়ছে। তবে ক্রেতারা বাড়তি দামে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গৃহিণী রেহানা বেগম বলেন, “কাঁচামরিচ ১২০ টাকায় গেলে সংসার চালানো কঠিন।” শাহিন আলম বলেন, “চালের দামও আবার বাড়ছে। বাজার ঠিক রাখতে সরকারের নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন।”